পিটারসেন বেছে নিলেন বিশ্বর সেরা ৫ ব্যাটসম্যান কে; তালিকায় ২ ভারতীয়!

ইংল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসে যতজন ক্রিকেট খেলে গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেন অন্যতম সেরা। ইংল্যান্ডের হয়ে দশ বছর ক্রিকেট খেললেও, কেপি যে রেকর্ড গড়ে গিয়েছেন, তাতে নির্দিদ্ধায় লেজেন্ড বলা চলে তাঁকে। ২০০৪ থেকে ২০১৪, এই পর্বে টেস্টের আসরে ২৩টি সেঞ্চুরি মুখের কথা নয়। একদিনের আসরেও রয়েছে ৯টি সেঞ্চুরি। অর্ধশতরানের সংখ্যা যথাক্রমে ৩৫ ও ২৫টি করে। সাঁইত্রিশ বছরের পিটারসেন এবার বুটজোড়া তুলে রাখতে চলেছেন।

ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ২০১৪ সালে ছেড়ে দিলেও, পেশাদারী ক্রিকেট খেলে যাচ্ছিলেন এতোদিন। এবার সেখানে ইতি টানছে চলেছেন তিনি। পাকিস্তান সুপার লিগের তৃতীয় সংস্করণ শেষ হলেই চিরতরে ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন ইংলিশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা নক্ষত্র। নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারে অনেক বড়বড় ব্যাটসম্যানকে দেখেছেন কেপি। বেশিরভাগই বিপক্ষ টিমের। তাদের মধ্যে থেকেই সেরা পাঁচ জনকে বেছে নিয়েছেন পিটারসেন।

৫. এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা) ও বিরাট কোহলি (ভারত)

মিস্টার থ্রি সিক্সটি এবি ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আসেন। কেরিয়ারের শেষ লগ্নে চলে আসা এবি এপ্রজন্মের লেজেন্ড। মাঠের যে কোনও প্রান্তে অনায়াসে ইচ্ছে মতো শট নেওয়ার সহজাত ক্ষমতা রয়েছে তাঁর। আর পিটারসেন এই কারণেই তাঁর পছন্দের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যানের তালিকায় রেখেছেন ডি ভিলিয়ার্সকে। টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেটে এবি’র শতরানের সংখ্যা যথাক্রমে ২১ ও ২৫।

বর্তমান ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে কখনই সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানের তালিকার বাইরে রাখা যাবে না। এবি’র নামে এলে বিরাটের নাম আসবেই। ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক আসরে এলেও যে গতিতে বিরাট শতরান করে চলেছেন, আগামী দিনে আরও অনেক রেকর্ড ভেঙে ফেলবেন তিনি। কেপি’র মতে বিরাট ক্রিকেট মাঠের যে কোনও প্রান্তে শট নিতে পারেন। ফলে, এবি’র সঙ্গে একই সারিতে তিনি কোহলিকে রাখছেন। টেস্ট ও একদিনের আসরে ভারত অধিনায়কের শতরানের সংখ্যা যথাক্রমে ২১ ও ৩৫টি।

৪. ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

ক্যারিবিয়ান সুপারস্টার গেইলকে চার নম্বরে রেখেছেন কেপি। তিনি বলছেন, ক্রিস এতো জোরে ক্রিকেট বলকে মারেন আর তা এতোটা দূরত্ব অতিক্রম করে, তা ভাষায় প্রকাশ করা মুশকিল। ২০০০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে চললেও, ক্রিস সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বেশি সফল। বিশেষ করে টি-২০ক্রিকেটে। কুড়ি-কুড়ি আসরের ক্রিকেটে ২০টি শতরানের মালিক টেস্ট ও একদিনের আসরে যথাক্রমে ১৫ ও ২২টি শতরান করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: