দাদা, ধোনি না বিরাট – যুবরাজের মতে দেশের সেরা অধিনায়ক কে?

২০০০ সালের পর ভারতীয় ক্রিকেটে যে পরিবর্তন এসেছে, তার বেশিরভাগ ইতিহাসের সঙ্গেই একটি নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি যুবরাজ সিং। পাঞ্জাবের এই স্টাইলিশ ক্রিকেটারটির ভারতীয় ক্রিকেটে আগমণ এক এমন মুহূর্তে যখন ভারতীয় দল ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু করছে। বিশ্ব ক্রিকেটের আঙিনায় টি-২০ ক্রিকেটের আগমণ, সেসময়ও যুবির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। আবার ২০১১ বিশ্বকাপ, তখনও যুবি। ভারতীয় ক্রিকেটে এই পর্বে অনেক বর্ণময় চরিত্র এসেছেন, এর মধ্যে অনেকে আজ প্রাক্তন ক্রিকেটার। কিছু নাম কিংবদন্তির পর্যায়ে পৌঁছেছে। কেউ আবার সত্যিই কিংবদন্তি। গত সতেরো বছরে অনেক কিছু বদলেছে ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে। নানান মুহূর্ত রচনা হয়েছে স্মৃতির মণিকোঠায় লালন-পালন করার জন্য। আর সেইসব বিভিন্ন ঐতিহাসিক মুহূর্তের সঙ্গে যুবির নাম এমনভাবে জড়িত, তা কখনই অস্বীকার করা যায় না।


কোন ফরম্যাটে খেলা হচ্ছে বাদ দিন – অনেক বড়বড় তারকা, মহাতারকা ভারতীয় ক্রিকেটে এসেছেন, গিয়েছেন – আচ্ছা, এক ওভারে ছ’টা ছয় মারার রেকর্ড কোন কিংবদন্তি তারকা করে দেখাতে পেরেছেন বলুন তো? যুবির চেয়ে ঢের গুনে বীরেন্দ্র সেহওয়াগ বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান। আর শচীন তেন্ডুলকর? ওরম বড় মাপের ক্রিকেটারের সঙ্গে তো কারও তুলনা করা যায় না, তাঁরও এমন রেকর্ড নেই। আবার এ প্রজন্মের সেরা ক্রিকেটার বিরাট কোহলি – তিনিও তো অনবদ্য ব্যাটসম্যান। তিনিও এমন কৃতিত্ব গড়ে দেখাতে পারেননি। আসলে যুবরাজ সিং নামের ক্রিকেটারটি এক অনন্য কৃতিত্ব সৃষ্টি করার জন্যই জন্মেছিলেন। তাই তো বারবার লড়াই করে ভারতীয় দলে ফেরার রাস্তা ঠিক খুঁজে নেন এই ফাইটার।

সর্বকালের সেরা একদিনের আন্তর্জাতিক বাঁহাতি একাদশে ভারতের সর্বকালের সেরা বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে রাখতেই হচ্ছে


যুবি তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ারে বেশ কয়েকজন বড় মাপের ভারত অধিনায়কের নেতৃত্বে খেলেছেন। তাঁরা সকলেই ভারতীয় ক্রিকেটে উত্থানে ভূমিকা নিয়েছেন। কখনও অধিনায়ক হিসেবে আবার কখনও ক্রিকেটার হিসেবে। ২০০০ সাল থেকে বর্তমান সময় – এই পর্বে ভারতীয় ক্রিকেটে চোখ রাখলেই ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন কোন ক্ষেত্রে কথাটা বলা হচ্ছে। সে যাইহোক, ভারতীয় ক্রিকেট সাবালক থেকে ক্ষমতশালী হওয়ার মুহূর্তে দুই মহান অধিনায়ককে পেয়েছে। তাঁদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একজন সৌরভ গাঙ্গুলি এবং অপরজন মহেন্দ্র সিং ধোনি।
বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হওয়ার স্বপ্ন সব ক্রিকেটারেরই চোখে থাকে। আর ধোনির আমলে যুবির সেই স্বপ্ন দু’বার পূরণ হয়েছে। কিন্তু, যুবির সবচেয়ে পছন্দের অধিনায়ক কিন্ত সৌরভ গাঙ্গুলি। কারণ বিশ্বকাপে যাওয়ার মতো বা বিশ্বকাপে খেলার মতো উপযুক্ত ক্রিকেটার তাঁকে সৌরভই তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিলেনন।

দাদা, ধোনি না বিরাট; অশ্বিনের মতে দেশের সেরা অধিনায়ক কে?

তাই তো যুবি বলেন, ”আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফলতা পেয়েছি, তার পেছনে দাদার সবচেয়ে বড় অবদান। দাদা সবসময় আমার পিছনে থেকে সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছিল। আমাকে বলতেন, যুবি নিজের খেলাটা খেল। শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থাকার চেষ্টা কর।”


২০০০ সালে ভারতীয় দলে অভিষেক হওয়া ঊনিশ বছরের যুবি আজ ছত্রিশ বছরের। বড় মঞ্চে সফল হওয়ার সেই প্রাথমিক মন্ত্রটা এখন যুবির মূলমন্ত্র। যুবির মধ্যে নিজের মতো একজন ফাইটারকে রেখে গিয়েছেন সৌরভ। যিনি কোনওদিন হার মানতে জানেন না। জানেন শুধু শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে।

ইনস্টাগ্রামে এই ভারতীয় টেনিস কুইনের অশ্লীল ছবি আপলোড করে বিতর্কে রামগোপাল বর্মা!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: