একঘেঁয়েমি কাজ ছাড়ুন! বাড়িতে বসেই এই ১০ টি কাজ করে উপার্জন করুন মোটা টাকা!

শুধু সরকারি কেনো, বেসরকারি ক্ষেত্রেও অনেক জায়গাতেই সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত গথে বাঁধা ডিউটি রয়েছে। অনেকেই করেন, আবার অনেকের ভালোলাগে না। কিন্তু, পেট চালাতে গেলে, সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করতে হয়। অনেকে আছেন, এই ফিক্সড ডিউটি আওয়ারের চক্করে পড়বেন না বলে, এমন কাজকর্ম বেছে নেন, যেখানে সময়ে আসা-যাওয়ার ব্যাপার থাকলেও, ওই নিয়ম করে সকাল সকাল ওঠার বালাই থাকে না। আবার রাতে দেরি করে ফিরতেও কোনও আপত্তি নেই তাঁদের।

আবার আজকালকার যা দিন পড়েছে, তাতে একটা কাজ করে নিশ্চিন্ত হয়ে থাকতে পারবেন না। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হতে গেলে একসঙ্গে দু-তিনটে আবার কখনও চারটে কাজ করাও জরুরি হয়ে দাঁড়ায় অনেকেরই জন্য। কারণ, প্রতিযোগিতার বাজারে প্রতিযোগীর সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনই কোনও কাজের জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমাণের সঙ্গে বাজারদরের অসামঞ্জস্য রয়েছে অনেক ক্ষেত্রে।

 

আজ এই প্রতিবেদনে এমন দশটি কাজের কথা বলব, যেখানে আপনার আয়ও ভালো হবে। আবার কোনও রুটিন মেনে চলতে হবে না। স্বনির্ভর হয়ে চলতে পারবেন। কখন কাজ করবেন আর করবেন না, সেটা নিজেই ঠিক করে নেবেন। নিজের বস নিজেই হবেন। আর হ্যাঁ, ছুটোছুটিও করতে হবে না। বাড়ি বসেই সহজে হাতে মোটা টাকা আসবে।

বাড়ি বসে সহজে রোজগারের দশটি সহজ উপায় –

১. ই-কমার্স

বাজারে অনেক ই-কর্মাস ওয়েবসাইট রমরমিয়ে ব্যবসা করছে। রিটেল মার্কেটের তুলনায় এখনও বাজারের পরিধি কম থাকলেও আসতে আসতে অনলাইন শপিং তার বাজার তৈরি করছে। আর আগামী দিনে, এটাই ভবিষ্যৎ। এইসব ই-কমার্স সংস্থার সঙ্গে সেলার হিসেবে কাজ করতে পারেন আপনি, নিজের নাম ওইসব সংস্থায় নথিভুক্ত করে। মানে বাইরের হোলসেল বাজার থেকে সস্তায় কিনে আনলেন। আর ই-কমার্স সংস্থার মাধ্যমে বেচলেন। প্রয়োজনে নিজের তৈরি প্রোডাক্টও বিক্রি করতে পারেন। সুবিধা হলো গ্রাহকের কাছে মাল পৌঁছতে আপনাকে ছুটতেও হবে না। ই-কমার্স সংস্থার কর্মচারী এসে তা নিয়ে যাবে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে।

২. গ্যারাজ সেল

এখানে ততটা জনপ্রিয় না হলেও বিদেশে এই ধরণের কাজের খুব কদর রয়েছে। অনলাইনে কুইকার, ওএলএক্স দেখেছেন, এটা ঠিক তার উল্টো। অফলাইনে কাজ। বেশ কয়েকজন পরিচিত মিলে একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারলে ব্যবসা জমে উঠবে। পুরনো জিনিস কিনুন, আর বেচুন। পরিচিত ব্যক্তির থেকে জিনিস নিতে মানুষ বেশি ভরসা পান।

৩. স্কুল প্রজেক্ট মেকার

একটা সময় ছিল যখন কাজের জীবনে প্রতিযোগিতা ছিল। কিন্তু, এখন স্কুল জীবন থেকেই ইঁদুর দৌড় শুরু। যাইহোক হাতের কাজের ব্যাপারটি ইদানিং সব জায়গাতেই প্রাধান্য পাচ্ছে। হাতের কাজে যদি দক্ষ হয়ে থাকেন, সেটা ব্যবসায়িক উপায়ে ব্যবহার করতে পারেন। স্কুল পড়ুয়ার সংখ্যা কখনও কমবে না। স্কুলে স্কুলে বিভিন্ন প্রোজেক্ট বানাতে দেওয়া হয়। বাচ্চারা তার জন্য সময় অবশ্যই পায় না পড়াশোনার চাপে। এবার আপনি তাদের হয়ে প্রোজেক্টটি তৈরি করে দেবেন। আর তার জন্য অর্থ নেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: