গত কেন্দ্রীয় বাজেটে কোন কোন জিনিসের দাম কমলেও মানুষ তার মালুম পায়নি

২০১৭ কেন্দ্রীয় বাজেটে বেশ কিছু জিনিসের দাম কমেছিল। আসুন দেখে নিই কী কী সেগুলি

১) ফিঙ্গার প্রিন্ট রিডার


২) চামড়ার জিনিসপত্র
৩) বায়ো গ্যাস


৪) নায়লন
৫) সোলার প্যানেল


৬) প্রাকৃতিক গ্যাস
৭) সোলার পাওয়ারের উপকরণ
৮) রেলের ই টিকিট

৯) সিএনজি গ্যাস
১০) পিওএস মেশিন
১১) নিকেল

এর মধ্যে চামড়ার জিনিসপত্র-এর দাম কমলেও মানুষ তা বুঝতে পারেনি। সিএনজি গ্যাসের দাম কমলেও তা সাধারণ মানুষ সেভাবে বুঝতে পারেন। তবে ফিঙ্গার প্রিন্ট রিডার, রেলের ই টিকিট-এর দাম কমানোর প্রভাব মানুষ বুঝতে পারে।

এবার দেখা যাক গতবার মানে ২০১৭ সাধারণ বাজেটে কীকী জিনিসের দাম বেড়েছিল-

১) সিগারেট, পান মশলা, তামাকজাত দ্রব্য

২)মোবাইল

৩)অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদন

৪)এলইডি বাল্ব

৫)হার্ডওয়্যার

৬) সিলভার ফয়েল

৭) স্টিলের জিনিসপত্র

৮) শুকনো খাবার

৯) রুপোর গয়না

প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ার ঠেলা মানুষ টের পেয়েছিল। এদিকে, আজ সংসদে বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।জেটলি বলেছেন, দেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত হয়েছে। জিএসটির পর কর সংগ্রহ বেড়েছে। বাজারে নগদ লেনদেন কমেছে। মোদী সরকার কয়েকটি কাঠামোগত সংস্কার করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিদ্ধান্তে দেশের আর্থিক ব্যবস্থা মজবুত হয়েছে।অর্থনৈতিক ভর্তুকি গরিবদের কাছে পৌঁছচ্ছে।

২০২২ সালের মধ্যে প্রধান লিঙ্ক রোড তৈরি করে ফেলা হবে। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার মাধ্যমে এই কাজ করা হবে কৃষিতে ক্লাস্টার যোজনার ওপর জোর দেওয়া হবে ।সরকার বিভিন্ন পদ্ধতি সরল করেছে। কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করা যাচ্ছে সহজেই। দুদিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। জিএসটি-কে সরল করার কাজ চলছে। ডিজিটাইজেশনে জোর দেওয়া হচ্ছে। দেশের অর্থনীতি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্ অর্থনীতি হবে। আমাদের লক্ষ্য গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ণ।আমরা কোটি কোটি মানুষকে নিখরচায় গ্যাসের সংযোগ দিতে পেরেছি। কৃষকদের আয় ২০২২-এর মধ্যে দ্বিগুণ করাই লক্ষ্য। উত্পাদিত ফসলের সঠিক দাম সুনিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য। সব্জির রেকর্ড উত্পাদন হয়েছে। খরিফ ফসলের সহায়ক দাম উত্পাদন খরচের দেড়গুণ।  তৃতীয় ত্রৈমাসিকে জাতীয় আয় ৬.৩ শতাংশ হারে বেড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: