সাবধান!!! যৌনপল্লিতে পা রাখলেই রাজ্য সরকার এবার যা ব্যবস্থা নেবে, শুনলে চমকে যাবেন

দিন যত যাচ্ছে অর্থের বিনিময়ে যৌনতা বিষয়টি যেন সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। এবার এই দেহব্যবসার ওপর কোপ বসাতে চলেছে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার৷ সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। মূলত যৌনপল্লীতে গিয়ে যারা টাকা দিয়ে যৌনতা কেনে তাদের টার্গেট করা হচ্ছে, এবং তাদের শাস্তি দিতে ভারতে এই পদক্ষেপ সবার প্রথমে নিতে চলেছে অন্ধ্রপ্রদেশ৷রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি প্যানেল গঠন করা হয়েছে৷

পাশাপাশি মানবপাচারের বিরুদ্ধে আইনের ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে৷ মানবপাচার থেকে যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে ভারতে কড়া আইন থাকলেও, যৌনপল্লীতে গিয়ে যারা পয়সার বিনিময়ে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে যৌনকর্মীদের সঙ্গে, তাদের ওপর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই আইন কার্যকরী হয় না৷ মহিলা এবং শিশু সুরক্ষায় জোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য, প্যানেলের সদস্য সুনিতা কৃষ্ণণ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখমন্ত্রীর প্রশংসাও করেন৷ এর পাশাপাশি পুলিশের কাছেও আবেদন করা হয়েছে, যে সব ব্যক্তি যৌনপল্লীতে আসে যৌন সম্পর্কের জন্য তাদেরকেও যেন টার্গেট করা হয়৷

তবে বেশিরভাগ গবেষণা থেকে জানা যায়, সব মহিলারা ইচ্ছাকৃতভাবে এই পেশায় যুক্ত হন না৷ শিশুদের মুখ চেয়ে অথবা অসহায় হয়েই কিংবা অনেককেই জোর করে নামানো হয় এই পেশায়, যা তাদের রুজি রোজগারও৷ আর এভাবেই এইসব যৌনকর্মীদের সন্তানেরাও ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ে একই পেশায়৷ তবে সাম্প্রতিককালে শিশুদেরকেও বাধ্য করা হচ্ছে এই পেশায় নামতে৷

এদিকে, ২০ বছর ধরে প্রায় ৫ হাজার নারীকে পাচার করেছে তারা। যা থেকে আয়ের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা। এমনকি, জোর করে নারীদের যৌনপেশায় নামানোর অভিযোগ উঠেছে দিল্লির এক দম্পতির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগেও অবশ্য বেশ কয়েকবার একই অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে আফাক হোসেন (৫০) ও সাইরা বেগম (৪৫) নামে এই দম্পতি।

পুলিশের ধারণা, দিল্লির রেড লাইট এলাকা জিবি রোডে মেয়ে পাচারের মূলপাণ্ডা ছিল আফাক ও সায়রা হোসেন। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যাতে এবার আর সহজে জামিন না পায় দম্পতি। দম্পতির বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ৩টি পতিতালয় চালানোর অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনায় তাদের ৫ সাগরেদকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: