এই মহিলা আইপিএস অফিসারদের নাম শুনলে অপরাধীরা ভয়ে কাঁপে

খাঁকি উর্দিটা শুধুমাত্র একটা রঙ নয়, তার সঙ্গে অনেক নিষ্ঠা, অনেক শ্রদ্ধা, অনেক কর্তব্য আর অনেক সাহসীকতার গল্প জড়িয়ে রয়েছে। ওই উর্দিটার ভেতরের শরীরটা কোন লিঙ্গের, সেসবে কিছু যায় আসে না। খাঁকি উর্দিটা পুরুষ বা নারী, যাঁর শরীরেই উঠুক না কেন, তাঁরা আইনের রক্ষক। শৃঙ্খালা কায়েম রাখা তাঁদের কাজ।

আইপিস অফিসার। বলিউডের কল্যাণে এই পদটা আমাদের সকলেরই জানা। খুব কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পাশ করলে, তবেই এই সরকারি চাকরিটা জোটে। ছেলে অফিসারদের পাশাপাশি এমন অনেক দোর্দণ্ডপ্রতাপ মহিলা আইপিএস অফিসার আছেন, যাঁদের নাম শুনলে অপরাধীরা থরিহরিকম্প। কোনও রাজনৈতিক নেতাকেও এঁরা পরোয়া করেন না। কারণ, তাঁরা কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, তাঁদের কর্তব্য দেশের মানুষকে নিষ্ঠার সঙ্গে অসামাজিক মানুষদের থেকে রক্ষা করা।

আজ এমন কয়েকজন মহিলা আইপিএস অফিসারকে নিয়ে এই প্রতিবেদন –

৯. সৌম্যা সম্বশিবন

হিমাচলপ্রদেশের মহিলা আইপিএস অফিসার। ২০০৯ সালের ব্যাচের অফিসার সৌম্যা ওই রাজ্যের শ্রীমোর জেলার পুলিশ সুপার হয়ে আসেন। আর তারপর থেকে তাঁর ভয়ে এলাকার অসামাজিক ব্যক্তিরা ভয়ে কাঁটা। রাজ্য থেকে মাদকদ্রব্যকে একেবারের নির্মূল করার যজ্ঞে ব্রতী এই মহিলা আইপিএস অফিসার।

৮. সোনিয়া নারং

২০০২ ব্যাচের আইপিএস অফিসার নারং এখন বেঙ্গালুরুর ডেপুটি কমিশনার। অত্যন্ত সৎ ও নির্ভীক এই মহিলা কোনও কিছুর সঙ্গে আপস করতে জানেন না। নিজের কর্তব্যে এতোটাই দৃঢ় যে তৎকালীন বিজেপি বিধায়ক রেণুকা আচার্য্যকে চড় মারতেও পিছপা হননি। ২০০৬ সালে কর্ণাটকে বিক্ষোভ হিংসাত্মক আকার নেওয়ায়, সোনিয়া লাঠিচার্জের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সময় বিধায়ক রেণুকা নিজের অবস্থান থেকে সরতে অস্বীকার করায়, তাঁকে চড় মেরে হাজতে পুরে দিয়েছিলেন এই সৎ আইপিএস অফিসার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: