শারদ বন্দনায় শতবর্ষে পদার্পণ করলো হাওড়ার কোনা বারোয়ারী!

শালটা ১৮১৭ যখন প্রথম বার দেবীর বন্দনায় বেজে ওঠে ঢাকের বাদ্দি কোনা বারোয়ারীর প্রাঙ্গণে!! এই পূজোটা প্রথম দিকে ছিল জমিদার বাড়ির পূজো, আর পূজো টা হতোও ঐ জমিদার বাড়ির ঠাকুর দালানেই!! কিন্তু কালের করাল এড়াতে পারেনা সেই জমিদারী, তাই কিছু বছর পরেই জমিদার বাড়ির পূর্বসূরিরা এই পূজোর দায়িত্ব তুলে দেন এই বারোয়ারীর হাতে যাতে পুজোর আনন্দ সবার সাথে ভাগ করে নেওয়া যায়!! সেই থেকেই পথ চলা শুরু, আজ সেই পুজো যৌবনের শতবর্ষে। পুজোর জৌলুস আগে এতো ছিলনা, কারন অবশ্যই এই কোনা অঞ্চলটা ছিল গ্রাম পরিবেশ। কিন্তু এখন সেই গ্রাম্য কোনা আর নেই, সেও বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে গিয়েছে বহু যোজন।

এই বারোয়ারী তথাকথিত থিম পুজোয় বিশ্বাসী ছিল না। তার বরাবর সাবেকী আনা বজায় রেখেছিল। এইবার তাদের পূজোতেও তারা পরিবর্তন ঘটিয়ে ফেলেছে, তারাও চাইছে সব দিকে যখন থিমের পুজো তখন তারাও বা ব্রাত্য থাকে কেন। এই জন্য তারাও এইবার নিয়ে এসেছে থিমের পূজা, মণ্ডপ থেকে প্রতিমা সব জায়গায় থিমের ছড়া ছড়ি!!

না কোন তাক লাগানো কোন মন্দির, নাকোন স্থাপত্য, না কোন সায়েন্স ফিক্সানের স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো কিছু আছে। এরা ফিরিয়ে এনেছে সেই পুরানো ঐতিহ্যের সাবেকিয়ানা কে নতুন মোড়কে। মণ্ডপে খুঁজে পাবেন পুরানো দিনের সেই জমিদার বাড়ির ডোরাকাটা সাদা কালো পাথরের ঠাকুর দালান। আর প্রতিমাতেও খুঁজে পাবেন জমিদার বাড়ির সাবেকিয়ানা!!

খরচ ১০ কোটি টাকা; দেখে নিন এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে ব্যয়বহুল দূর্গা মন্ডপ!

কলকাতার ১০ টি বিখ্যাত পুজো ও তাদের বাজেট; দেখে নিন কোথায় কেমন থিমের প্যান্ডেল হচ্ছে!

এর বেশী আর কিছু বলবো না বাকি-টা নাহয় আপনারাই বলুন। মণ্ডপ থেকে প্রতিমা দর্শন করুন আর উপভোগ করুন কোনা বারোয়ারীর এই প্রচেষ্টা কে।

তাই সকল দর্শনার্থী দের জন্য পুজো কমিটির তরফে রইল সাদর আমন্ত্রণ!! ​মণ্ডপ ভাবনা ও রুপায়নে অনুপম মৈত্র, ও প্রতিমা শিল্পী সৈকত বসু!! সম্পাদক অভিষেক দত্ত

সম্পাদক অভিষেক দত্ত  ‘search for Kona Barowary on Google Map ​to find. Thanks & Regards’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: