এমন পাঁচটা পাশবিক ধর্ষণ কাণ্ড যা শুনলে প্রশ্ন জাগে এরাও মানুষ!!!

জেডি বিড়লা স্কুলে চার বছরের ছোট শিশুর ওপর দুই শিক্ষকের যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষোভ ফুঁসছে শহর। সবাই প্রশ্ন করছেন যে দুই শিক্ষক এই কাজ করলেন, তারা কী আদেও মানুষ! আসলে দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে এমন কিছু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে,

দুনিয়ার সবচেয়ে জঘন্য ধর্ষণ কাণ্ড-

৫) নাইজেরিয়ায় ১৫০ জন পুরুষের গণধর্ষণ এক পর্যটক মহিলাকে

নাইজেরিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসেছিল আয়ারল্যান্ডের বছর ১৭-এর ফুটফুটে মেয়ে ক্রেসি। কিন্তু গাড়ি থেকে নেমে পাহাড়ের অনেকটা ভিতরে চলে যাওয়ায় সে বন্ধুদের হারিয়ে ফেলে। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর ক্রিসেকে ছাড়াই হোটেলে ফেরে তার বন্ধুরা। এদিকে ক্রেসি পথ হারিয়ে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে যেতে থাকে। এরপরেই ঘটে পাশবিক এক ঘটনা। পাহাড়ের পাশে জঙ্গল থেকে একদল পুরুষ ছুটে আসে ক্রেসিকে দেখে। ক্রেসি তাদের দেখে বলে সে হারিয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেই সব মানুষরা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তার পোশাক খুলে একে একে ১৫০ জন পুরুষ ক্রেসিকে ধর্ষণ করে। তাদের মধ্যে অনেকেই ক্রেসির মৃতদেহর উপরেও ধর্ষণ করেন। কারণ পাশবিক গণধর্ষণের মাঝেই ক্রেসি মারা গিয়েছিল। এই ঘটনা শুনে গোটা বিশ্ব চমকে উঠেছিল। অবাক করা কথা হল সেই ১৫০জন গণধর্ষকের মধ্যে মাত্র ৫জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ক্রেসির মৃতদেহ যখন পাওয়া গিয়েছিল তখন দেখা গিয়েছিল তাঁর একটাও দাঁত নেই। ধর্ষকরা ক্রেসির মুখের সব দাঁত ধর্ষণের সময় ভেঙে ফেলেছিল।

৪) বন্ধুর মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন কেটে টিফিন কৌটর ভিতর লুকিয়ে রাখা

বন্ধুর ১৪ বছরের মেয়েকে মিথ্যা কথা বলে ফোন করে ডেকেছিল সিডনির এক আইনজীবী। বন্ধুর মেয়ে কাকুর ফোন পেয়ে খুশিতে তার বাড়ি গিয়েছিল। কিন্তু মদ্যপ কাকু সেই ১৪বছরের ফুটফুটে মেয়েটাকে ধর্ষণ করে। সেই সময়ই সেই মেয়েটার বাবা তার বন্ধুকে ফোন করে বলে মেয়ে কখন আসবে। বিপদ বুঝে, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা সেই ১৪ বছরের মেয়েটাকে খুন করে। তারপর তাকে টুকরো টুকরো করে কেটে টিফিন বক্সে পুরে রাখে। সঙ্গে জানায় মেয়েটি তার বাড়িতে আসার কথা থাকলেও আসেনি। পুলিস নিখোঁজ সেই মেয়েকে খুঁজে পেতে তদন্ত শুরু করে। একটা সময় পর পুলিস নিশ্চিত হয় সেই আইনজীবী মিথ্যা কথা বলছেন, জেরায় ভেঙে পড়ে সেই ধর্ষক জানায় প্রমাণ লোপাট করতে তিনি মেয়েটাকে কেটে কেটে তার টিফিন বক্সে রেখে দিয়েছেন।

৩) স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে শিক্ষিক কেটে ফেলে লুকিয়ে রাখল বাথরমের দেওয়ালে

শাস্তি দেওয়ার নাম করে ক্লাস এইটের মেয়েটাকে স্কুল ছুটির পর আটকে রেখেছিল শিক্ষক। তারপর স্কুল ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পর তাকে ধর্ষণ করে। কিন্তু বিপদ হবে বুঝতে পেরে। সে ছাত্রীকে খুন করে। তারপর সেই মৃতদেহ লুকিয়ে রেখে স্কুল ছাড়ে। তারপর দারোয়ানের থেকে চাবি নিয়ে রাতে ফের স্কুলে আসে। তারপর সারা রাত ধরে স্কুলের বাথরুমের দেওয়াল কেটে সেই স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ দেওয়ালের ভিতর রাখে। ছাত্রী হারিয়ে যাওয়ার তদন্তে নেমে দারোয়ানের কথা শুনে পুলিসের সন্দেহ হয়। তারপর সেই শিক্ষক চাপে পড়ে সব স্বীকার করে নিয়ে বিস্ফোরক এই কথা জানায়।

২) মিস ইন্দোনেশিয়াকে গণধর্ষণ ও খুন

দেশের সেরা সুন্দরী হয়ে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার ক দিন আগেই তিনি নিখোঁজে হয়ে যায়। গোটা দেশ উত্তাল হয়ে যায় কোথায় গিয়েছে মিস ইউনিভার্স। পরে জানা যায় এক দল পুরুষ তাঁকে শারীরিকভাবে পেতে এতটাই মরিয়া ছিল যে তাঁকে তাড়া করে গাড়ি থেকে নেমে গণধর্ষণ করে খুন করে।

১) দিল্লি গণধর্ষণ

২০১২ সালের দিল্লি গণধর্ষণের ঘটনাটি দিল্লির মুনিরকা এলাকায় ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বরের রাতে ঘটে এই গণধর্ষণ। বাসে ধর্ষণের পর সেই মহিলার যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি একজন ২৩ বছর বয়সী ফিজিওথেরাপি ইন্টার্ন জনৈকার সঙ্গ ঘটেছিলো, যার নাম জ্যোতি সিংহ পান্ডে। তিনি যখন তার ছেলেবন্ধু অন্দ্র প্রতাপ পান্ডের সাথে একটি বেসরকারি বাসে ভ্রমণ করছিলেন তখন তাকে পিটুনি দেওয়া হয় এবং তারপর তাকে গনধর্ষণ করা হয়। ঐ বাসে চালকসহ আরো ৬ জন ছিলেন যাদের প্রত্যেকেই পান্ডেকে ধর্ষণ করে এবং তার বন্ধুকে পিটুনি দেয়। হামলার তেরো দিন পর, তাকে জরুরী চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, কিন্তু দুই দিন পর তিনি তার আঘাতের প্রতিক্রিয়ায় মারা যান। ২০১২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর রাত্রি ৯:৩০-এ জ্যোতি এবং তার বন্ধু অন্দ্র লাইফ অব পাই সিনেমাটি দেখে বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। মুনিরকা থেকে ধরকা-গামী বাসটিতে তখন মাত্র ৮ জন যাত্রী ছিল । বাসের একজন সাহায্যকারী বলেছিল যে তারা ধরকা যাচ্ছেন। কিন্তু অন্দ্রের মনে সন্দেহ জেগে ওঠে যখন বাসটি তার নির্ধারিত রুট ছেড়ে অন্য রুটে ঢুকে পড়ে।

আরো পড়ুন-  ধর্ষণের দায়ে আমরণ জেলে গোটা একটা দলের ফুটবলাররা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: