কলকাতা হাইকোর্টে প্রচুর নিয়োগ, উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করলেই আবেদন করুন!

ক্রমাগত বেড়ে চলা প্রতিযোগিতার বাজারে গোটা দেশের একটাই সমস্যাই, চাকরি চাই। যুব সমাজ এছাড়া আর কিছুই চায় না। দিন দিন যেভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য অগ্নিমূল্য হচ্ছে, তাতে দু’বেলা খেয়ে পরে বাঁচতে গেলে একটা ভদ্রস্থ আয় অন্তত প্রয়োজন, তারপরে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ের কথা ভেবে দেখা যাবে। গোটা দেশের সঙ্গে আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও একই হাল। তবে, এরাজ্যের যুব সম্প্রদায়ের জন্য সুখবর। প্রচুর কর্মী নিয়োগ হতে চলেছে কলকাতা হাইকোর্টে। বাবুঘাট সংলগ্ন অঞ্চলে বিধানসভা। তার গায়েই অবস্থিত রাজ্যের প্রধান আদালত।

কলকাতা হাইকোর্টে যে নিয়োগ চলছে, তাতে গ্রুপ সি ও ডি কর্মী নেওয়া হচ্ছে। আবেদনে ইচ্ছুক প্রার্থীর বয়স অন্তত ১৮ বছর হতেই হবে এবং বয়সের সর্বোচ্চ সীমা ৪০ বছর রাখা হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা মান রাখা হয়েছে দ্বাদশ, দশম ও অষ্টম শ্রেণি পাশ এবং একটি ক্ষেত্রে যোগ্যতা মাস্টার্স ডিগ্রি আবশ্যিক। কলকাতা হাইকোর্টে যে চারটি পদে নিয়োগ চলছে, সেগুলি হলো – টেলিফোন অপারেটর, ড্রাইভার, ট্রান্সলেটর এবং লাইব্রেরিয়ান। আবেদন করার নির্দিষ্ট সময়সীমা ২০.০৯.২০১৮। আবেদন অফলাইন প্রক্রিয়াতেই করতে হবে। অনলাইন পরিষেবায় আবেদনা করা যাবে না। মোট শূন্য পদের সংখ্যা ১৮টি।

টেলিফোন অপারেটর পদের জন্য শূন্যস্থান রয়েছে ২টি। পারিশ্রমিকের পরিমাণ মাসে ১৬,০০০/-। আবেদনকারীর বয়স ১৮-৪০ মধ্যে থাকতে হবে। উচ্চমাধ্যমিক পাশ হওয়ার পাশাপাশি টেলিফোন অপারেটিংয়ে সার্টিফিকেট থাকতে হবে। স্পোকেন ইংলিশে দক্ষতা আবশ্যিক।

ড্রাইভার পদে ১২টি শূন্যস্থান রয়েছে। আবেদনের বয়সসীমা ১৮-৪০ বছর। হাল্কা, মাঝারি ও ভারি ওজনের গাড়ি চালানোর দক্ষতা থাকার পাশাপাশি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। আবেনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাশ হওয়া বাধ্যতামূলক। পারিশ্রমিক মাসে ১১,৫০০/-।

ট্রান্সেলটর কাম ইন্টারপ্রিটর পদে নিয়োগ হবে তিনটি শূন্যস্থানের জন্য। মাস মাইনে ২২,০০০/-। এক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়সসীমা রাখা হয়েছে ১৮-৩২ বছর। আর শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক পাশ।

লাইব্রেরিয়ান পদে শূন্যস্থান রয়েছে ১টি। আবেদনকারীকে শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর হতেই হবে। লাইব্রেরি সায়েন্সে ডিগ্রি অথবা ডিপ্লোমা আবশ্যিক। বয়সসীমা ১৮-৩২ বছর। পারিশ্রমিকের পরিমাণ ২০,০০০/-।

আবেদনকারীকে সরাসরি আবেদন করতে হবে। সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথির ফোটো কপি সহ দিতে ১৫০ টাকার ইন্ডিয়ান পোস্টাল অর্ডার। এসটি/এসসি প্রার্থীদের জন্য এই পোস্টার অর্ডারের মূল্য ৭৫ টাকা। পোস্টাল অর্ডারটি হবে কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের নামে এবং তা কলকাতা জিপিও’তে যেন জমা করা যায়।

আবেদনপত্র জমা পড়ার পর তা খতিয়ে দেখে প্রার্থীদের জানানো হবে। নেওয়া হবে স্কিল টেস্ট ও ইন্টারভিউ। স্কিল টেস্টে পাশ করলে তবেই ডাকা হবে ইন্টারভিউতে। আবেদনপত্র সংক্রান্ত আরও তথ্য জানতে ভিজিট করুন কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে – www.calcuttahighcourt.nic.in অথবা সরাসরি যোগাযোগও করতে বিশদে জানতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: