রাজ্যের এমন পাঁচ জনপ্রিয়তম নেতা যাদের ভোটে হারানো যায় না

রাজ্যে এমন কয়েকজন নেতা থাকেন যাঁরা যে রাজনৈতিক দলেই যান না কেন জনপ্রিয়তাও কখনই ভাটা পড়ে না। এমনই পাঁচ জন নেতাকে নিয়ে আজ আলোচনা। দেখে নিন তাঁরা কারা –

৫) মানস ভুঁইয়া


কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে। তাঁর ম্যাজিকেই জয় পেয়েছেন স্ত্রী গীতারানি ভুঁইয়া। সেই কারণে ভোটের নিরিখে দেখলে স্বামী মানস ভুঁইয়াকে হারিয়েছেন স্ত্রী গীতারানি ভুঁইয়া ৷ তবে সময়টা ছিল আলাদা৷ ২০১৬-এর বিধানসভায় জোট প্রার্থী হিসাবে কংগ্রেসের টিকিকে সবং থেকে ২০১৬-র বিধানসভায় জিতেছিলেন ভূমিপুত্র মানস ভুঁইয়া। জোটপ্রার্থী হিসেবে মানস পান ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৮৭ ভোট ৷ আর ২০১৭-এর উপনির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে একাই পেলেন তৃণমূল ১,০৬,১৭৯ ভোট ! বিধানসভা উপনির্বাচনে সবংয়ে রেকর্ড মার্জিনে জিতলেন গীতারানি ভুঁইয়া।
দু’হাজার চোদ্দোর পর এবার দু’হাজার সতেরো। চতুর্মূখী লড়াইয়ে ম্যাজিক জয় তৃণমূলের। প্রেস্টিজ ফাইটে কংগ্রেসের গড়ে ঘাসফুল ফুটল। সবং সেই ভুঁইয়াদের দখলেই। জোট প্রার্থী হিসাবে কংগ্রেসের টিকিকে সবং থেকে ২০১৬-র বিধানসভায় জিতেছিলেন ভূমিপুত্র মানস ভুঁইয়া। দল বদলে তিনি এখন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে উপনির্বাচনের জিতলেন মানস জায়া গীতারানি ভুঁইয়া।

৪) অধীর চৌধুরী

মুর্শিদাবাদ পরিচিত অধীর গড় হিসাবেই। রাজ্যে পরিবর্তন এলেও মুর্শিদাবাদ এখনও কংগ্রেসের দখলে। এবং কংগ্রেসের স্ট্রং জায়গা হিসাবেই রাজনৈতিক মহল মনে করে। একন তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কেউ ইস্যু ভিত্তিক সমালোচনা করলে তিনি অধীর চৌধুরি। নির্বাচনের মুখে দলবদলের হিড়িক পড়ে গিয়েছে কংগ্রেসের গড় মুর্শিদাবাদে। তবে দলত্যাগীদের ‘ক্রীতদাস’ হিসেবেই তৃণমূলে থাকতে হবে বলে মনে করছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।কান্দিতে এক সভায় অধীর বলছেন, ‘‘যাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছে, মনে রাখবেন তাঁরা সকলেই কংগ্রেসের এঁঠো খাবার। যাঁরা ওই পথে পা বাড়াচ্ছেন, তারা তৃণমূলে কৃতদাস হয়ে যাচ্ছেন।’’ অধীরের মুখে তৃণমূলে পা বাড়ানো, রেজিনগরের প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর সম্পর্কে কিঞ্চিৎ প্রশংসাও শোনা গিয়েছে। অধীরের কথায়, ‘‘হুমায়ুন ইমানদার। ও তো তা-ও দলবদলের পরে উপ নির্বাচনে লড়ার সাহস দেখিয়েছিল।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: