পঞ্চায়েতের আগে উপনির্বাচনে তৃণমূলের ঝড়, উড়ে গেল সিপিএম-কংগ্রেস, তবে খড়কুটো পেল বিজেপি

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সুনামি। যার ধাক্কায় খড়কুটোর খোঁজও পেল না বিরোধীরা। নোয়াপাড়া বিধানসভা ও উলুবেড়িয়ে লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেল তৃণমূল।

নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র কংগ্রেসের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সংখ্যা বাড়ালেন মমতা ব্যানার্জি। অন্যদিকে, সুলতান আহমেদের মৃত্যুতে খালি হয়ে যাওয়া উলুবেড়িয়া তৃণমূলেরই থাকল।nযে নোয়াপাড়ায় তৃণমূল দু বছর আগে বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের কাছে ১ হাজার ভোটে হেরেছিল। সেখানেই উপনির্বাচনে তৃণমূল জিতল ৫০ হাজারের বেশি ভোটে। আর উলুবেড়িয়ায় ২০১৪ সালে তৃণমূল প্রার্থী হয়ে সুলতান আহমেদ জিতেছিলেন ২ লক্ষ ভোটে। আর তাঁর মৃত্যর পর সুলতান আহমেদ স্ত্রী ভোটে দাঁড়িয়ে জিতলেন।

জানাই ছিল রাজ্যের উপনির্বাচনে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস জয় পেতে বিশেষ অসুবিধা হবে না। কারণ তৃণমূল এসবই জায়গায় যতটাই শক্তিশালী ছিল। তবে প্রশ্ন ছিল দ্বিতীয় কারা হবেন। নোয়াপাড়ায় গতবার জিতেছিল কংগ্রেস। তাই তাদের কাছে এটা ছিল প্রেস্টিজ ফাইট। কিন্তু সবংয়ে উপনির্বাচনে যেমন জয়ী দল হয়ে ভোটে নেমে কংগ্রেসের জামানত জব্দ হয়েছিল, নোয়াপাড়াতেও তাই হল। সবচেয়ে বড় লাভ হল বিজেপি-র। এই কেন্দ্রে বিজেপি-প্রার্থী ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে চতুর্থ হয়ে জামানত জব্দ হয়ে গিয়েছিল। আর এবার উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয় হলেন। তৃতীয় হয়ে সম্পূর্ণ হতাশ করলেন সিপিএম প্রার্থী গার্গী চট্টোপাধ্যায়। নোয়াপাড়া বিধানসভায় জয়ী হলেন তৃণমূল প্রার্থী সুনীল সিং।

কংগ্রেস বিধায়ক মধুসূদন ঘোষের মৃত্যুতে নোয়াপাড়া বিধানসভা আসনটি খালি হয়। প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে এই আসনে প্রথম থেকেই বিজেপি-তৃণমূল চাপানউতোর চরমে ওঠে। মুকুল ঘনিষ্ঠতার সুবাদে প্রথমে বিজেপির তরফে নাম উঠে আসে নোয়াপাড়ার দুবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুর। তা ঘোষণাও করে দেওয়া হয়। শোরগোল শুরু হতেই বেঁকে বসেন মঞ্জু বসু। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি বিজেপির প্রার্থী নন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: