ভুলেও এই ৮ টি বিষয় সার্চ করবেন না গুগলে, অজান্তে বিপদে পড়ে যেতে পারেন

বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে অতীতের সব প্রজন্মের একটাই তফাৎ। এখন আমরা প্রযুক্তি নির্ভর। প্রযুক্তির কথা বললে যেটা সবার আগে মনে পড়ে, সেটা হলো কম্পিউটার আর ইন্টারনেট। ইন্টারনেট আসার পর কম্পিউটার ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। যদিও এই একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের শেষার্ধে এসে ইন্টারনেট মোবাইলেও ছেয়ে গিয়েছে দেদার। এখন কোনও বিষয়ে না জানলে কোনও বোদ্ধার দিকে তাকিয়ে চেয়ে থাকতে হয় না প্রত্যাশা করে। ইন্টারনেট আছে যে…

কোনও বিশেষ তথ্য চাই, হাতের কাছে ইন্টারনেট রয়েছে। কোনও গবেষণার ব্যাপারেও আপনাকে ঠিক খুঁটিনাটি তথ্য দিয়ে দেবে ইন্টারনেট। এনমকী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের কোয়ান্টাম ফিজিক্স আর টাইমট্যাভেল থিওরিও আপনাকে সহজে বুঝিয়ে দেবে ইন্টারনট গুরু। এখন ‘আর মাউসের এক ক্লিকের পৌঁছে যাওয়া’ কেতাবি কথাও পুরনো, বরং স্মার্টফোনের টাচ স্ক্রিন আর ল্যাপটপের টাচ প্যাডের যুগে সব ‘ট্যাপ ট্যাপ’…

শুরুটা সেই ১৯৬০ সালে। মূলত মার্কিন সেনাবাহিনীর ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্টের জন্য এর সূচনা। কিন্তু, এর অসীম ক্ষমতাকে একটা ছোট্টো পরিসরে সীমাবদ্ধ রাখতে যায়নি। আস্তে আস্তে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। আর এই শতাব্দীতে সোশ্যাল মিডিয়াম বুম ইতিহাস বদলে দেবে, কেই বা ভেবেছিল! ভিন্ন মহাদেশের যে কোনও দেশের যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে সব মানুষ এক দেশেরই নাগরিক। আর সেই দেশের নাম ইন্টারনেট। আর আমরা ‘ইন্টারনেটিয়ান’। এ যুগে আর কাউকে বুঝিয়ে দিতে হয় না, ওয়েব ব্রাউজার কি, আর সার্চ ইঞ্জিনই বা কি! ইয়াহু দিয়ে শুরু হলেও বিশ্বের আশি শতাংশের ওপরে বেশি মানুষ গুগল সার্চ ইঞ্জিনকে বেছে নেয় যে কোনও বিষয়ে তথ্য আহরণের জন্য। বিংগ ও বাইডু নামে আরও দু’টি সার্চ ইঞ্জিনও অবশ্য রয়েছে। কিন্তু, গুগলের পাণ্ডিত্যতেই মানুষের ভরসা বেশি।

গুগল জানে না এমন কোনও বিষয় নেই…

কিন্তু, এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলি কোনওদিন সবজান্তা গুগল স্যরকে জিজ্ঞাসা করতে নেই। তাতে হিতে বিপরীত কিন্তু আপনারই হবে। কারণ, মানুষের মন যে বড় খুঁতখুঁতে। একবার কোনও কিছু মনে বসে গেলে, তা বের করা মুশকিল। আবার কখনও অতিরিক্ত কৌতহূল আপনাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে দিতে পারে যে কোনও ব্যক্তির সামনে। তাহলে আজ আপনাকে জানিয়েই রাখি, কি কি বিষয় গুগলে কোনও দিনই সার্চ করবেন না, কারওর সামনেত নয়ই বটে, আবার একা থাকলেও নয়। একেবারেই না!

৮ আপনার অসুস্থতার লক্ষণ

একেবারেই না। নিজের শরীর নিয়ে ডাক্তারি করতে যাবেন না। তার চেয়ে বরং ডাক্তার দেখিয়ে নেন শরীরে কোনও সমস্যা হলে। আপনার শরীরের যেসব লক্ষণগুলি অনুভব করছেন, সেই অনুয়ায়ী গুগলে সার্চ করে ওযুধ খেলে মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলতে পারেন। তাতে আরও বেশি বিপদে পড়ে যেতে পারেন। কারণ, নিজে নিজে ডাক্তারি করতে গিয়ে অন্য উপসর্গ দেখা দিলে ভয় পেয়ে মারাত্মক কাণ্ড ঘটে যেতে পারে। তাই একদম না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: