এবার বাজারে আসছে জিও কয়েন, জিনিস কিনুন আম্বানিদের মুদ্রায়; কিন্তু কীভাব জানুন

এবার টাকার ওপর নজর রিলায়েন্সের। না, না সব প্রোজেক্টই তো টাকার দিকেই নজর রেখেই হয়, তবে এবার যেটা মুকেশ আম্বানির কোম্পানি নিয়ে আসতে চলেছে তা হল জিও কয়েন। এটা হল এক ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল কারেন্সি বা সাংকেতিক কারেন্সি।

যারা ইতিমধ্যেই বিট কয়েন জিনিসটার সঙ্গে পরিচিত তাদের সহজে বলে দেওয়া যায়, জিও কয়েন হল বিট কয়েনের ভারতীয় সংস্করণ বা প্রতিযোগী। তবে বিট কয়েনের সঙ্গে জিও কয়েনের ফারাকটা হবে জিও কয়েন একবারে ছোট্ট ছোট্ট অঙ্কের লেনদেন করতে পারবে। মুকেশ আম্বানির বড় ছেলে আকাশ আম্বানি এই জিও কয়েন প্রোজেক্টটি আনতে চলেছেন। ইতিমধ্যেই আম্বানি পুত্র আকাশের নেতৃ্বে ৫০জনের একটি রিসার্চ দল নেমে পড়েছে এই প্রজেক্টটি সফল করতে। ভারতে বিট কয়েন জনপ্রিয়তা না পেলেও জিও কয়েন সেটা পাবে বলে মনে করছেন আকাশ আম্বানি। যেভাবে রিলায়েন্স আসার আগে দেশে মোবাইল ফোন খুব একটা জনপ্রিয় ছিল না, সেভাবেই জিও কয়েনও আম আদমির ভরসার হয়ে উঠবে বলে মনে করছে রিলায়েন্স। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় সবচেয়ে বড় সফলতা পাবে ক্রিপ্টোকারেন্সি জিও কয়েন।

জিও কয়েন দিয়ে কেনা যাবে ডিজিটাল মাধ্যমের সব কিছু জিনিস, চালানো যাবে আর্থিক যাবতীয় লেনদন। তবে এটিএম থেকে তুলে জিও কয়েন ব্যবহার করবেন, এমনটা হবে না। কারণ বিট কয়েনের মতই জিও কয়েনও হবে ভার্চুয়াল কারেন্সি। জিও ওয়ালেটের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে জিও কয়েন।

জিও কয়েন হতে চলেছে এমন এক ধরনের মুদ্রা যা শুনতে তো কয়েন—কিন্তু এর কোন ব্যস্তব অস্তিত্ব থাকে না। এটি ইলেক্ট্রোনিক্যালি আপনার ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ বা যেকোনো স্টোরেজ মিডিয়াতে সেভ থাকে। শুধু এই এক লাইনেই সবকিছু শেষ নয়। লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহক ও গ্রহিতা উভয়কে তৃতীয় কোন পক্ষের উপর ‘ট্রাস্ট’ বা আস্থা রাখতে হয়, উদাহরণস্বরূপ ব্যাংক। তৃতীয় পক্ষ এই ব্যাংকে উভয় পক্ষ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের মুদ্রা পরিশোধ করে, যেটিকে ইংরেজীতে বলে ‘ডাবল স্পেন্ডিং’।

জিও কয়েনে ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়ে থাকে। এটি লেনদেন নিয়ন্ত্রণ এর জন্য কোন প্রতিষ্ঠান নেই। এটি সম্পূর্ণ একটি ওপেনসোর্স প্রোজেক্ট। সাতোশি নাকামোতো নামে একজন ভদ্রলোক ২০০৮ সালে এই মুদ্রা আবিস্কার করেন। এই মুদ্রাকে তিনি পিয়ার-টু-পিয়ার নামে অবিহিত করেন। জিও কয়েন এক ধরনের সার্ভারে এর যাবতীয় লেনদেন সংরক্ষিত থাকে। যেকোন কম্পিউটার থেকে এর লেনদেন করা হলে এর কেন্দ্রীয় সার্ভারে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ (Automatic Update) হবিটকয়েন এর ক্ষুদ্র এককঃ 1 MBTC = 1000000 BTC 1 uBTC = 0.00000 BTC 1 mBTC = 0.001 BTC 1 satoshi = 0.00000001 BTC যেহেতু বিটকয়েন উৎপাদন সহজলভ্য বিষয় নয়, তাই আমি এখানে বিটকয়েন আয় করার কিছু কৌশল শেখাবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: