ভারতের সর্বকালের ১০ জন ক্রিকেটার যাদের দর্শকরা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন!

ক্রিকেট খেলাটা আজ শতাধিক দেশের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারলেও, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের ভাঁড়ারে সবচেয়ে বেশি অর্থ এই ভারত থেকেই যায়। ভারতীয় ক্রিকেট অনুরাগীদের উন্মাদার কাছে বাকি ১২৪টি দেশ অনেক পিছিয়ে। সে আমাদের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা আর বাংলাদেশে ক্রিকেট নিয়ে যতই মাতামাতি হোক না কেন, এই দেশটার জনসংখ্যাও তো দেখতে হবে।

পুরনো কথাটা বারবার আওড়ালেও যেন পুরনো হয় না – ক্রিকেটে এদেশে শুধু খেলা নয়, ধর্ম সমান। তবে, ১৯৯০ সাল থেকে ভারত ক্রিকেট বিশ্বে অর্থনীতির কেন্দ্র হয়ে উঠতে শুরু করে। একশো কোটির দেশ আজ সওয়াশো কোটি সংখ্যাকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে, আর ক্রিকেট পাগল ভারতবাসীর সংখ্যা ততই বেড়েছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটে খেলার স্বপ্ন আজ প্রায় প্রায় ঘরে ঘরে।

১৯৩০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক আসরে বিচরণ শুরু করা ভারত ক্রিকেট বিশ্বকে অনেক বড় মাপের পারফর্মার উপহার দিয়েছে। দেশের নাম তাঁরা উজ্জ্বলও করেছেন নিজের নিজের প্রজন্মে। তবে, তাঁদের মধ্যে খুব কম ক্রিকেটারই আছেন, যাঁদের দেশের মানুষ (অধিকাংশ) অকুণ্ঠ ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। যাঁদের সাফল্য-ব্যর্থতাতে দেশবাসীর আবেগ বদলায়। তাঁদের ব্যর্থতায় দেশবাসী ব্যথিত হয়, আবার তাঁদের সাফল্যে দেশবাসী আনন্দে মেতে ওঠে। আবার তাঁদের সন্যাসে দেশের ক্রিকেট পাগল মানুষের দু’চোখে জলও আসে।

ভদ্রলোকের খেলায় ভারত থেকে আসা দশ ফ্যান ফেবারিট আন্তর্জাতিক তারকা –

১০. বিরাট কোহলি

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী নেতা থেকে বিরাট জাতীয় দলের নেতা হয়ে ওঠার পথে অনেকটা পথ অতিক্রম করেছেন। ২০০৮ সালে জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়া বিরাটের উত্থান ২০১১ বিশ্বকাপের পর থেকে। বর্তমান ভারতীয় অধিনায়ক টিমের সেরা ব্যাটসম্যান হওয়ার পাশাপাশি ক্রিকেট পাগল ভারতবাসীর অন্যতম পছন্দের ক্রিকেটার।

৯. জাহির খান

২০০০ সালে সৌরভ গাঙ্গুলির আমলে জাতীয় দলে অভিষেক হয় জাহিরের। দেশের হয়ে তিন ধরণের ফরম্যাট মিলিয়ে ৬১০টি উইকেটে মালিক ২০১৪ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। জাহির খান ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা বাঁহাতি ফাস্ট বোলার হওয়ার পাশাপাশি দেশের অন্যতম ফ্যান ফেবারিট তারকা।

৮. গৌতম গম্ভীর

সৌরভ গাঙ্গুলির পর ভারতীয় দলের দ্বিতীয় সেরা বাঁহাতি ওপেনার হিসেবে ক্রিকেট অনুরাগীদের মনে জায়গা করে নেওয়ার গম্ভীর ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আসেন। গোতিকে ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল এবং ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য মনে রাখবেন অনুাগীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: