আজি ও ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়দের এই তারিখের পর দেখা যাবে না আইপিএলে!

আইপিএল মানে তো শুধু ক্রিকেট নয়, ভরপুর বিনোদনের মশলা মাখানো একটা টোটাল প্যাকেজ। আর সেই মশলার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলা যায় বিদেশি ক্রিকেটারদের। আইপিএল আদৌ এত ‘হিট’ হত না যদি না ক্রিস গেল, এবি ডিভিলিয়ার্স, ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভ স্মিথ, আন্দ্রে রাসেল, বেন স্টোকসরা না থাকতেন। ভারতীয় খেলোয়াড়দের ক্যারিশ্মা নেই এমন কথা বলা হচ্ছে না, কিন্তু গেল, এবিডিরা আইপিএলের মান বাড়িয়ে দিয়েছেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

তাঁদের বিশাল ছক্কাগুলো যখন গ্যালারিতে আছড়ে পড়ে, দেশি-বিদেশি বাছবিচার না করে ভারতীয় জনতা প্রবল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। ব্যাপারটা এমন জায়গায় চলে গেছে যে এবিডি কিংবা গেল দেশের হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামলেও ভারতীয় দর্শক তাঁদের সমর্থন করে। তাঁদের ব্যাটিং দেখতে মাঠে ভিড় জমান। কিন্তু আগামী বছরের আইপিএল কি প্রত্যেকবারের মতো ধুন্ধুমার হবে? প্রশ্ন উঠছে সঙ্গত কারণেই।

গোপন সূত্রে খবর, অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা তাদের খেলোয়াড়দের আইপিএল খেলার ব্যাপারে কিঞ্চিত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তারা নাকি তাদের খেলোয়াড়দের মে মাস থেকে আইপিএল খেলতে দেবে না। আইপিএল শুরু হওয়ার কথা ২৯ মার্চ এবং শেষ হবে ১৮ মে। ফলে ওই দুই দেশের ক্রিকেটাররা আইপিএলের শেষের দিকের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে খেলতে পারবেন না। এর কারণ বোঝা খুব একটা শক্ত নয়। মে মাসের ৩০ তারিখ শুরু হবে বিশ্বকাপ। তার প্রস্তুতি তো আছেই, তাছাড়া খেলোয়াড়দের চোট আঘাত থেকে বাঁচিয়ে রাখতেই যে এই পদক্ষেপ তাতে কোনও সন্দেহ নেই। আইপিএলের মতো হাই-ভোল্টেজ টুর্নামেন্টের মানসিক ধকল থেকেও খেলোয়াড়দের অব্যাহতি চাই। বিসিসিআইয়ের তরফ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।

জানা যাচ্ছে, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ডও তাদের খেলোয়াড়দের ১২ মে’র পর দেশে ফিরে যেতে বলেছে। প্রোটিয়াদের জন্য পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে, কারণ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের জন্য আইপিএল ডিভিলিয়ার্সদের দেশেই অনুষ্ঠিত হতে পারে। এখন দেখা যাক, আইপিএলের ভাগ্যে কী আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: