ব্রেকিং : বিদেশী তারকাকে ছেড়ে দিলো কেকেআর!

আইপিএল মানেই বিদেশি ক্রিকেটারদের রমরমা। গাদা গাদা টাকায় তাদের দলে ভেড়ায় বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ক্রিস গেল, এবি ডিভিলিয়ার্সের মতো কিছু কিছু খেলোয়াড় আছেন যারা সেই টাকার হিসাব সুদে আসলে মিটিয়ে দেন। আবার কেউ কেউ আছেন যাদের দলে নিয়ে রীতিমতো ভরাডুবি হয় দলগুলোর। অজি ফাস্ট বোলার মিচেল স্টার্ক সেরকমই একজন। তাঁর সঙ্গে আইপিএলের কী শত্রুতা কে জানে।

প্রত্যেকবার নিলামে তাঁকে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা দিয়ে দলে টানে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আর প্রত্যেকবারই চোটের কারণে কিংবা অন্য কোনও অছিলায় আইপিএলে খেলতেই পারেন না তিনি। গত বছর যেমন প্রচণ্ড ভোগালেন কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই চোটের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন।

স্টার্ককে প্রায় ১০ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল কেকেআর। দলের পেস বিভাগে তিনিই ছিলেন প্রধান ভরসা। তিনি ঝোলালেন, বেদম মার খেলেন বিনয় কুমার, শিবম মাভিরা। নেহাত সুনীল নারাইন এবং কুলদীপ যাদবের মতো দু’জন স্পিনার ছিল তাই শেষ চারে পৌঁছতে পেরেছিল কলকাতা। ন্যাড়া বেলতলায় একবারের বেশি যায় না। নাইট ম্যানেজমেন্টও একই ভুল দুবার করল না। মিচেল স্টার্ককে তারা ছেড়েই দিল। বাঁ-হাতি অজি পেসার নিজেই জানিয়েছেন, ‘দুদিন আগে আমার ফোনে একটা টেক্সট মেসেজ আসে কেকেআর ম্যানেজমেন্ট থেকে। তাতে বলা হয় যে আমার কন্ট্রাক্ট থেকে আমায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আগামী এপ্রিলে আমি বাড়িতেই থাকব। গত বছরেও আমার টিবিয়া (পায়ের হাড়) ইনজুরির জন্য আমি খেলতে পারিনি। কিন্তু ওই বিশ্রাম আমায় সেরে উঠতে দারুণভাবে সাহায্য করে।’

আইপিএল শেষ হতে না হতেই বিশ্বকাপ ফলে বেশিরভাগ বিদেশি ক্রিকেটাররাই টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার আগেই দেশে ফিরে যাবেন। সেদিক থেকে দেখলে কলকাতার এই সিদ্ধান্ত একদম সঠিক বলেই মনে করা হচ্ছে। আর তাছাড়া চোটপ্রবণ মিচেল স্টার্কের জায়গায় দেশীয় কোনও ভালো বোলার দলে নেওয়া অনেক ভালো হবে। বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে সব টিমগুলোই যে ভারতীয় খেলোয়াড়দের দলে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করবে তা বলাই বাহুল্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: