১৮ জন ক্রিকেটার ও তাদের কিছু আজব অন্ধবিশ্বাস! দেখলে হাসবেন

ক্রিকেটারদের অন্ধবিশ্বাসী হওয়ার কথা আমরা মাঝেমধ্যেই শুনে থাকি। আগে এই খবরগুলিই বেশি জায়গা পেতো সংবাদমাধ্যমে। বর্তমানে সেইসব জায়গা নিয়েছে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত জীবন। এমনটা নয় যে আধুনিক প্রজন্মে এসে ক্রিকেটাররা কুসংস্কার ব্যাপারটা থেকে এগিয়ে গিয়েছেন। মোটেই নয়। ক্রিকেটে ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে অন্ধবিশ্বাসী হওয়ার। সাফল্য যত আসতে থাকে, ক্রিকেটাররা ততই কুসংস্কারে বিশ্বাস করতে শুরু করেন।

শুধু ক্রিকেট কেন যে কোনও স্পোর্টসেই এই কুসংস্কার ব্যাপারটা আছে। অন্ধবিশ্বাসী হওয়া বা কুসংস্কার মানা কোনও অপরাধ নয়, তবে অবাক হতে হয় যখন ওই কুসংস্কারে বিশ্বাস করে কোনও খেলোয়াড় যখন সফল হন। এই যেমন টেনিসের কথা ধরুণ, মারিয়া শারাপোভা তো অসাধারণ প্রতিভা। সেই তিনি প্রথম যখন গ্র্যান্ড স্লাম খেতাব জেতেন, তার আগে উইম্বলডনে শিয়ালের বিষ্ঠা মাড়িয়ে ফেলেছিলেন। তাঁকে ডেকে তখন বলা হয়েছিল, এবার তিনিই জিতবেন। আর হয়ও তাই। ক্রিকেটেও এরকম অবাক করে দেওয়ার মতো ঘটনা রয়েছে ক্রিকেটারদের কুসংস্কারচ্ছন্ন হওয়ার সঙ্গে।

ক্রিকেটার আর তাদের অন্ধবিশ্বাসের আঠারোটি বড় উদাহরণ –

১৮. স্টিভ ওয়া

অস্ট্রেলিয়ার দোর্দণ্ডপ্রতাপ ও বিশ্বজয়ী অধিনায়ক স্টিভ ওয়া সব সময় পকেটে একটা লাল রুমাল নিয়ে ঘুরতেন। স্টিভের ঠাকুমা সেটি তাঁকে দিয়েছিলেন। তাঁর ধারণা ছিল, ঠাকুমার দেওয়ার ওই রুমাল লাকি চার্মের কাজ করবে।

১৭. মাহেলা জয়বর্ধনে

আধুনিক প্রজন্মে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের অন্যতম সেরা প্রতিভা। প্রাক্তন অধিনায়ক মাহেলা ব্যাট করার সময় থেকে থেকে ব্যাটে চুমু নিতেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, ওতে বড় ইনিংস আসবে।

১৬. মাইকেল ক্লার্ক

অজি ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বশেষ বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। ক্লার্ক ব্যাটিং করতে যাওয়ার আগে তাড়স্বরে গান শুনতেন। তাঁর ধারণা ছিল, এতে তাঁর মনোসংযোগ বাড়ত। আর তাতেই বড় ইনিংস খেলতে পারতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: