আইপিএল : পাঁচ আনলাকি ব্যাটসম্যান, যাঁরা শতরান করেও জেতাতে পারেননি টিমকে

টি-২০ ক্রিকেটে লাক ফ্যাক্টর না থাকলে সফল হওয়া যায় না। কুড়ি-কুড়ি ওভারের ক্রিকেট এতোটাই প্রতিদ্বন্দ্বিতাময়, যে এখানে ক্রিজে টিকে থাকতে হলে ভাগ্য দরকার। বড় ইনিংস খেলার পথে প্রতি বলে স্ট্রোক নিতেই হবে। টেকনিক ও দক্ষতা মিশেল ঘটিলে রান তুললেও, শতরান করতে হলে ওই ‘লাক ফ্যাক্টর’ অবশ্যই জুরুরি। আর এই কারণেই টি-২০ ক্রিকেটে শতরান করা একটা আলাদা অনুভূতির সঙ্গে রোমাঞ্চ এনে দেয়।

গত এক দশকে আইপিএল ক্রিকেটে এরকম বেশ কিছু স্পেশাল মুহূর্ত এসেছে। একটা শতরান ম্যাচ ভাগ্য গড়ে দেয়। কিন্তু, আবার এরকমও হয়েছে, শতরান করেও দলকে ম্যাচ জেতাত পারেননি কয়েকজন। সেরকই পাঁচটি শতরান নিয়ে আজ এই প্রতিবেদন।

৫. বিরাট কোহলি – ২০১৬ আইপিএল

বর্তমান ভারত অধিনায়ক রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরেরও অধিনায়ক এখন। ২০১৬ আইপিএল মরশুমে বিরাট রেকর্ড পরিমাণ চারটি শতরান করেন। তার মধ্যে একটি রাজকোটে গুজরাত লায়ন্সের বিরুদ্ধে। ৬৩ বলে কোহলি ১০০ রান করেন এবং আরসিবি টিম ১৮০ রান তোলে। যদিও শেষ পর্যন্ত তিন বল বাকি থাকতে ম্যাচটি ৬ উইকেটে জিতে নেয় গুজরাত।

৪. শেন ওয়াটসন – ২০১৩ আইপিএল

আইপিএল ক্রিকেটে অংশ নেওয়া অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার এই অজি তারকা। রাজস্থান রয়্যালস টিমের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিলেন। তাদের হয়ে দু’বার শতরান করেছেন ওয়াটো। এর মধ্যে একটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে। ওই ম্যাচে ৬১ বলে ১০১ রান করেন ওয়াটসন। সিএসকে’র সামনে ১৮৫ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় রাজস্থান। কিন্তু, আরেক অজি তারকা মাইক হাসির ৫১ বলে ৮৮ রান সিএসকে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ১ বল বাকি থাকতেই জয় এনে দেয়।

৩. ঋদ্ধিমান সাহা – ২০১৪ আইপিএল

ব্যাটসম্যান হিসেবে ঋদ্ধি আইপিএলের উপযোগী না হলেও, তাঁর কপিবুক ব্যাটিং স্টাইল এই মঞ্চে শতরান এনে দিয়েছে। যদিও সেটা বৃথাই গিয়েছে। ২০১৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্স চ্যাম্পিয়ন হয়। সে বছর ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। কলকাতার বিরুদ্ধে বাঙলার উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানটি ৫৫ বলে ১১৫ রানের একটি ইনিংস খেলেন পাঞ্জাবের হয়ে। ২০০ রানের টার্গেট খাড়া করে তারা। কিন্তু, সেদিন মণীশ পান্ডের দাপটে কলকাতা তিন বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: