হার্দিকের এই পাঁচ দুর্বলতা তুলে ধরলেন মহারাজ! দেখে নিন

বিরাট কোহলি চান হার্দিক পান্ডিয়া, ইংল্যান্ডের বেন স্টোকসের মত কার্যকরী ক্রিকেটার হোন। হার্দিক শুরুটা এতটাই ভাল করেছেন, তাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটমহল। ন্যাশানাল মিডিয়ায় তো অনেকে বলছেন, হার্দিকের মা্যমে নতুন কপিল দেবকে পেয়ে গিয়েছে ভারত। সৌরভ গাঙ্গুলিও হার্দিকের পারফরম্যান্সে বেশ খুশি। আগে থেকেই বলেছিলেন, হার্দিকের সাহসী ক্রিকেট তাঁর বেশ ভাল লাগে। তবে হার্দিকের সঙ্গে এখনও কপিলের তুলনা করতে নারাজ সৌরভ। বাংলার মহারাজ যে কথাটা ঠিক বলছেন, তাঁর পাঁচটা যুক্তি

এই পাঁচ জনই এখন ভারতীয় ক্রিকেটের মোস্ট ওয়ানটেড ব্যাচেলার!

১) হার্দিক এখনও পরীক্ষিত নন: শ্রীলঙ্কায় টেস্টে ভারতীয়দের মধ্যে কম বলে সেঞ্চুরি করার নজির গড়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। বল হাতে সঠিক সময়ে উইকেটও নিচ্ছেন। ওয়ানডে-তেও তাঁর বেশ কয়েকটি ম্যাচ জেতানো অলরাউন্ড পারফরম্যান্স আছে। হার্দিক কেরিয়ারের শুরুতে যে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করছেন তা সাম্প্রতিকলালে কোনও ভারতীয় করে দেখাতে পারেননি। চাতক পাখির মত ভারত একজন সত্যিকারের অলরাউন্ডারের খোঁজে আছে। সেখানে হার্দিকের উপস্থিতি বুকে বল আনছে। তবে এটাও ঠিক কপিল দেবের সঙ্গে তাঁর তুলনা টানার এখন একম সময় আসেনি। আসলে হার্দিক এখনও পরীক্ষিতই নন। মাত্র তিনটে টেস্ট ম্যাচ, তাও শ্রীলঙ্কার মত নিম্নমানের দলের বিরুদ্ধে খেলেছেন, তাতেই কপিল দেবের সঙ্গে তুলনা টানলে চাপ আছে। ওয়ানডে খেলেছেন মাত্র ২৬টা। পরীক্ষা হওয়ার মত এখন মঞ্চই আসেনি, হার্দিকের। ৬টা ঋতু না পেরোলে যেমন মানুষ চেনা যায় না, তেমনই অন্তত ৬টা দেশে, ৬টা ভিন্নরকমের কঠিন পরিস্থিতি, ২০টা টেস্ট, ১০০টা ওয়ানডে না খেললে তাঁকে পরীক্ষিত বলা যায় না।

এই কিংবদন্তি বোলার নিতে চান বিরাট কোহলির উইকেট!

২) বোলার হার্দিককে নিয়ে প্রশ্ন আছে: তিন নম্বর বোলার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে হার্দিককে। যার জন্য রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে হচ্ছে একজন স্পেশালিস্ট বোলারকে। সবার জানা, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৃতীয় পেসারের ভূমিকাটা ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দুই পেসারের খারাপ দিনে তোমার কাজ হবে খারাপটা ঢেকে দেওয়া আর ভাল দিনে তুমি এমন সময় বল করতে যাবে যেখানে কটা বল খারাপ করলেই দল ভীষণ চাপে পড়ে যাবে। হার্দিক ব্রেক থ্রু আনছেন। কিন্তু ৩টি টেস্টে মাত্র ৪টি উইকেট, আর ২৬টি ওয়ানডে-তে মাত্র ২৯টা উইকেটে পাওয়া হার্দিকের কাছ থেকে বোলিংয়ে আরও অনেক ধার চাই। তাঁকে মনে রাখতে হবে তিনি খেলছেন স্পেশালিস্ট বোলারের জায়গায়। কপিল দেব তো দূরের কথা, মোটামুটি ভাল অলরাউন্ডার হতে হলেও ওয়ানডে-তে অন্তত প্রতি ম্যাচে দুটি করে আর টেস্টে গোটা ম্যাচে অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পেতে হবে নিয়মিতভাবে।

গভীর জলের মাছ হার্দিক, এই বার আরও এক রহস্যময়ী সুন্দরীর সাথে জড়ালেন তিনি!

৩) ধারাবাহিকতার অভাব আছেঃ হার্দিকের ধারাবাহিকতায় যথেষ্ট অভাব আছে। ১০টা ওয়ানডে খেলার পর তাঁর সেই ধারাবাহিকতা অভাবটা পরিষ্কার হয়ে গেছিল। তবে এখন তিনি ভাল সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তাই সেটা ঢেকে গেছে। এটা তাঁকে মনে রাখতে হবে। তিনি স্পেশালিস্ট বোলারের জায়গায় খেলছেন, ব্যাট হাতে তাকে ফিনিশারের ভূমিকায় খেলছেন। এই দুটো খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। কপিল দেব এই ধারাবাহিকতার জন্যই দুনিয়ার সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যে থাকেন।

ডিগ্রি ছাড়াই এই ১০ টি চাকরীতে মেলে মোটা মাইনে!

৪) বিদেশের মাঠ, কোয়ালিটি অপনেন্টের বিরুদ্ধে : দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদের দেশে টেস্ট না খেললে কিছুতেই বোঝা যাবে না তার অলরাউন্ডার অ্যাবিলিটি

৫) পেস বোলিংয়ের সামনে দুর্বলতা আছে : হার্দিকের যত কেরামতি সব স্পিনারদের বিরুদ্ধে। যেটা ইউসুফ পাঠানেরও ছিল। কিন্তু পেস বোলিংয়ের সামনে তাঁর দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: