কুম্বলে জানিয়ে দিলেন তার সবচেয়ে প্রিয় ভারত অধিনায়কের নাম!

প্রাক্তন ভারতীয় কিংবদন্তি স্পিনার অনিল কুম্বলে জানালেন তাঁর ভারতীয় দলের ফেভারিট অধিনায়ক কে। কুম্বলে ভারতের জার্সিতে অভিষিক্ত হয়েছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিনের অধিনায়কত্বে। অভিষেকের দিনেই তুলেছিলেন ৩ উইকেট, ওয়ানডে ডেবিউতে তুলেছিলেন ১ উইকেট। তিনি এবার তাঁর কাছে এখনও ভারতীয় কোন অধিনায়ক সর্বকালের সেরা।

কুম্বলে ভারতীয় দলে খেলেছেন দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত। তাই নিজের ক্রিকেটজীবনে ভারতের অনেক কিংবদন্তিদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ারও করেছেন। এমনকি সৌরভ গাঙ্গুলীর নেতৃত্বাধীনেও খেলেছেন কুম্বলে। এই গাঙ্গুলিও যে তাঁর পছন্দের অধিনায়কের মধ্যে একজন, সেই কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের অধিনায়ক কিন্তু যার অধীনে সে তাঁর ক্রিকেটজীবন শুরু করেছিলেন। তিনি ভারতীয় ক্রিকেটের বিতর্কিত মুখ মহম্মদ আজহারউদ্দিন।

তবে কুম্বলের স্ত্রীর সবচেয়ে পছন্দের খেলোয়াড় কিন্তু এমএস ধোনি। কুম্বলে বলেন, ‘আমার স্ত্রীর যখনই ধোনির সঙ্গে দেখা হয়, তখনই সে তার সঙ্গে ছবি তুলতে থাকে। কুম্বলে যে ভারতীয় দলের কতটা বড় মাপের স্পিন বোলার ছিলেন সেটা সকলেরই জানা। লাল বল হাতে অর্থাৎ টেস্টে উইকেট নিয়েছেন মোট ৬১৯টা। পিচ থেকে স্পিন বের করতে সবসময় স্মক্ষ্ম থাকতেন না তিনি। কিন্তু নিজের বলের গতি পরিবর্তন, বলের লাইন আর লেন্থ বারবার পরিবর্তন করে ব্যাটসম্যানকে ভাবারও সময় দিতেন না কিংবদন্তি এই স্পিনার। তাই বেশিরভাগ উইকেটও তিনি তুলেছেন লেগ বিফোর উইকেট অথবা বোল্ড করে। কেই বা ভুলতে পারবে তাঁর সেই গতি-সম্পন্ন ফ্লিপার বল!

আইআইটি মাদ্রাসে এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলে তিনি বলেন,

‘আমি শুধুই ব্যাটসম্যানকে প্রত্যেক বলে নতুন প্রশ্ন ছুঁড়তাম। এটুকুই আমি করতাম।’

সম্প্রতি ইরানি ট্রফিতে কর্ণাটকের হয়ে ফের মাঠে দেখা যায় তাঁকে। মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে নেমেই তুলে নিয়েছেন ৭ উইকেট। কর্ণাটক হারের দিকেই এগোচ্ছিল প্রথম ইনিংস থেকেই, তবে কুম্বলে বল হাতে তাঁর টিমকে লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনেন। শেষমেশ ম্যাচটা মুম্বাই জিতলেও এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় চমক কুম্বলের ৭ উইকেট নেওয়াটা।

এই ম্যাচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

“আমাদের খেলায় ফিরে আসতে হলে আমাদের মুম্বাইকে ১০০ রানের মধ্যে অল আউট করতেই হতো। আমি আমার আগের ফর্ম কিছুটা হলেও ফিরে পাই এবং মুম্বাইকে ৯০ রানের মধ্যে অল আউট গুটিয়ে দেই। আমি নিজেই ৭ উইকেট তুলে নেই। যদিও আমরা হেরেছি, তবে আমি আমার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: