সিরিজ জিতে, জয়ের সমস্ত কৃতিত্ব একে দিলেন রোহিত শর্মা

ভারতীয় দল আর ওয়েস্টইন্ডিজের মধ্যে তিন ম্যাচের টি-২০সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচ আজ রবিবার ১১ ডিসেম্বর খেলা হয়েছে। এই ম্যাচে ভারতীয় দল নিজেদের দুর্দান্ত প্রদর্শনের কারণে ৬ উইকেট জিতে নেয়। পাশাপাশি এই জয়ের ফলে ভারতীয় দলল এই সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে। প্রসঙ্গত এই ম্যাচে ওয়েস্টইন্ডিজ দল টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের এক বিশাল স্কোর তুলে দেয়।

ওয়েস্টইন্ডিজের হয়ে সবচেয়ে বেশি ২৫ বলে ৫৩ রানের অপরাজিত ইনিংস নিকোলাস পুরণ খেলেন। অন্যদিকে দলের হয়ে ড্যারেন ব্র্যাভো ৩৭ বলে৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার হন যজুবেন্দ্র চহেল। তিনি নিজের ৪ ওভারে মাত্র ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট হাসিল করেন।অন্যদিকে ওয়াশিংটন সুন্দর একটি উইকেট নেন। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নামা ভারতীয় দল পাওয়া এই ১৮২ রানের লক্ষ্যকে শেষ বলে ৬ উইকেট হাতে থাকতেই হাসিল করে নেয়। ভারতের হয়ে ওপেনিং ব্যাটসম্যান শিখর ধবন যেখানে ৬২ বলে ৯২ রানের ইনিংস খেলেন সেখানে তরুণ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্থ ৩৮ বলে ৫৮ রানের যোগদান করেন।

ম্যাচ শেষে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা জানান, “ এই ধরণের ম্যাচ আগেও অনেকবার হয়েছে। বিশেষ করে আইপিএলে, এইরকম ম্যাচ প্রচুর হয়। আমরা নির্দয়ী হতে চাই এবং পেছনে যেতে চাইনা। এই ধরণের পারফর্মেন্স প্রচুর আত্মবিশ্বাস দেয়। আমরা আত্মতুষ্ট হতে চাই না, আমরা এগিয়ে এসে জিততে চাই। দল হিসেবে উন্নতির প্রচুর জায়গা থাকে। আমাদের বল করার সময় চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে উন্নতির প্রয়োজন। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি আপনার শক্তির জায়গায় দৃঢ় থাকুন, এবং এই দলের বেশিরভাগ প্লেয়াররাই ভারতের হয়ে খুব বেশি খেলেনি, ফলে এই ধরণের ঘরোয়া সিরিজ হল সঠিক সুযোগ তাদের প্রতিভা দেখানোর জন্য। এছাড়াও আমি এই সিরিজে দলের ফিল্ডিং নিয়ে খুবই প্রভাবিত।

অন্যদিকে ওয়েস্টইন্ডিজ অধিনায়ক কার্লোস ব্রেথওয়েট বলেন, “ এটা এই সিরিজের দারুণ সমাপ্তি। আমরা ম্যাচের আগে কথা বলেছিলাম যে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেয়েছিলাম সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে কিন্তু আমরা যে ফলাফল চেয়েছিলাম তা পাইনি। আমি বিশ্বাস এবং প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানাব, বিশেষ করে শিখর ধবন এবং ঋষভ পন্থের পার্টনারশিপের পর এই ম্যাচ শেষ বল পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়াকে। আমরা বেশ কিছু বলকে গ্রীপ করতে দেখেছি, কিন্তু তার প্রতিফলনে আমরা যথেষ্ট পরিমানে দ্রুত সুইচ করতে পারিনি।  (পুরণের প্রতিভা নিয়ে) এরকম কিছু প্রতিভার দলে রয়েছে; শাই, হেটমেয়ার এবং পুরণ।কিন্তু এটা গুরুত্বপূর্ণ যে ওদের প্রত্যেকের মধ্যে থেকে সেরাটা টেনে বার করা এবং একটা ইউনিট তৈরি করা যারা অস্ট্রেলিয়ায় টি-২০ বিশ্বকাপে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে”।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: