আইপিএল ২০১৯ : আগামী মরশুমে এই পাঁচ ক্রিকেটারকে নেবার লক্ষে কিংস ইলেভেন!

শুরুটা ভালো করেও লিগ পর্ব পের করতে না পারা। একাদশ আইপিএল মরশুম কোনও টিম যদি সবেচেয়ে বেশি হতাশ করে থাকে, সেটা হলো বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টার কিংস ইলেবেন পাঞ্জাব। প্রথম ছ’টা ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জয়, আর তার পরের বাকি আটটি ম্যাচের মধ্যে সাতটিতেই হার। একেবারে মুখ থুবড়ে পড়া যাকে বলে, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের সঙ্গেও তাই হয়েছে। অথচ এবার পাঞ্জাবের হাতে যা শক্তি ছিল, ঠিকমতো প্রয়োগ হলে ট্রফি ঘরে তুলতে পারত কি না, তা নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক আসবে, কিন্তু টিম ফাইনালে অন্তত যেতেই পারত।

এবার পাঞ্জাবের ঘরে মূল্য সমস্যা হলো এক-দু’জন ক্রিকেটারের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাঝে বাকিদের ব্যর্থতা। তার সঙ্গে যোগ দেয় টিমের মেন্টর বীরেন্দ্র সেহওয়াগের সঙ্গে দলের মালকিন প্রীতির বনিবনা না হওয়া এবং তা প্রকাশ্যে চলে আসা।যাইহোক, ২০১৯ সালেও একই স্কোয়াড নিয়ে টুর্নামেন্টে নামতে হবে প্রীতিদের। তার আগে টিমের উচিত যে বিষয়গুলি টিম পিছিয়ে আছে, সেগুলির জন্য ব্যাকআপ প্ল্যান তৈরি করা। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মধ্যে অধিনায়কত্ব গুন অবশ্যই আছে। তবে, টিমকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে হলে, তাঁদের হাতে যে শক্তি আছে অধিনায়ক ও মেন্টরকে তা ঠিকমতো প্রয়োগ করতে হবে।

আগামী মরশুমে যে পাঁচ ক্রিকেটারের দিকে নজর দিতে পারে কিংস ইলেভে পাঞ্জাব টিম ম্যানেজমেন্ট –

৫. রজনীশ গুরবাণী

রঞ্জি ক্রিকেট অসাধারণ পারফর্ম করেও ২০১৮ আইপিএল ক্রিকেটের অকশনে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের সুনজরে আসেননি বিদর্ভের এই ক্রিকেটার। এই তরুণ প্রতিভার হাতে মারাত্মক ইনসুইং রয়েছে। তাছাড়া, ব্যাটসম্যানদের তাঁর বল খেলার জন্য ক্রমাগত চ্যালেঞ্জ দেওয়ার অভ্যাস রয়েছে গুরবাণীর। ফলে, উইকেট তুলে নেওয়ারও প্রবণতা আছে। বলের উপর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ থাকায় ডেথ ওভারে কাজে লাগবে। আর পাঞ্জাবের ফাস্ট বোলিং, অ্যান্ড্রু টাইকে ছাড়া একেবারে নির্বিষ। গুরবাণীর মতো বোলারকে আনলে পাঞ্জাবের কোচিং স্টাফরা আরও ঘঁষেমেজে তৈরি করে নিতে পারবেন তাঁকে।

৪. কেসরিক উইলিয়ামস

আইপিএল ক্রিকেটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে প্রথম অভিজ্ঞতা ইতিবাচক নয় একেবারেই। তবে, পাঞ্জাব এই ক্যারিবিয়ান ফাস্ট বোলারকে নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করতে পারে। আগামী বছর বিশ্বকাপের বছর। ফলে, অ্যান্ড্রু টাইয়ের মতো একজন বোলার স্বাভাবিকভাবেই নাম প্রত্যাহার করে নিতে পারেন ২০১৯ আইপিএল থেকে। এমনিতেই পাঞ্জাবের বোলিং লাইনআপ দুর্বল। টাইয়ের অনুপস্থিতিতে, তা একেবারে নখদন্তহীন হয়ে পড়বে। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান বোলিং লাইনআপের অন্যতম সেরা বাজি কেসরিক ডেথ ওভার স্পেশালিস্ট। আর টি-২০ ক্রিকেটের মতো চ্যালেঞ্জিং ফরম্যাটে ডেথ ওভার সামলাতে পারা বোলার যে কতটা জরুরি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: