এই খেলোয়াড়দের আইপিএল থেকে বিশ্রামে যাবার আর্জি জানালেন বিরাট কোহলি!

আসন্ন আইপিএল ২০১৯ এ বিরাট কোহলির পরিকল্পনা মাফিক সম্ভবত জোরে বোলারদের বিশ্রাম দেওয়াটা হচ্ছেনা। ফ্রেঞ্চাইজিগুলি ভারত অধিনায়ককে এ ব্যাপারে সমর্থন করছে না কারণ এর ফলে কিছু ফ্রেঞ্চাইজির দলের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে পারে তাদের জোরে বোলারদের বিশ্রাম দেওয়ায়। বিশেষ করে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের দলে ভুবনেশ্বর কুমার রয়েছেন, যিনি তাদের জন্য অনেকটাই ধারাবাহিক। অন্যদিকে জসপ্রীত বুমরাহ বছরের পর বছর মুম্বাইয়ের বোলিং আক্রমণের প্রধান অস্ত্র।

পিটিআইয়ের একটি সাক্ষাতকারে বিসিসিআইয়ের এক সূত্রকে কোট করে বলা হয়েছে যে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের আসন্ন সংস্করণে জোরে বোলারদের বিশ্রাম দেওয়ার কোনও সম্ভবনাই নেই। যদিও ওই সূত্র তার কথায় জানিয়েছেন যে সম্ভাবনা রয়েছে বিশ্রাম দেওয়ার বদলে এই জোরে বোলারদের উপর থেকে ওয়ার্কলোড কমানোর। সিইওর বৈঠকে উপস্থিত থাকা একজন সিনিয়র আধিকারিক পিটিআইকে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, “ আইপিএল শুরু হবে ২৯ মার্চেবং শেষ হবে ১৯ মে। এর মধ্যেই ভারতের দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে ৫ জুন প্রথম ম্যাচ খেলার মধ্যে ১৫ দিনের ব্যবধান থাকবে। ফলে সম্পুর্ণ আইপিএল চলাকালীণ জোরে বোলারদের বিশ্রাম দেওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই”।

ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, “ ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে গত কিছু বছরে আইপিএল ট্রেনার এবং ফিজিওদের সঙ্গে ভারতীয় দলের সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে সম্মেলন ঘটেছে। যা আগামি বছরেও ফলো করা হবে এবং সেরকম কিছু হলে ফোরে বোলাররা আইপিএলের সব ম্যাচ খেলবেন না”।

অন্যদিকে অন্য একটি সূত্রের মতে বিরাট কোহলির প্রধান চিন্তা তার দুই সেরা অস্ত্র বুমরাহ এবং ভুবনেশ্বর কুমারকে নিয়েই। তিনি যোগ করেছেন বাকি জোরে বোলাররা নিয়মিতভাবে ভারতীয় দলের প্লেয়িং ইলেভেনে জায়গা করতে নিতে পারেন না। ওই সূত্রের মতে, “ সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হল ভুবি এবং বুমরাহের ব্যাপারে কারণ শামি, উমেশ এবং খলিল তাদের ফ্রেঞ্চাইজির অটোমেটিক চয়েস নন এবং তারা সম্ভবত আইপিএলের সব ম্যাচে খেলেনও না (মিনিমাম ১৪)।

বিরাট চান তার প্রধান দুই জোরে বোলারকে আইপিএল থেকে বিশ্রাম দিতে কিন্তু এটা সম্ভবত কাউন্টার প্রডাক্টিভ হতে হবে কারণ এই দুজন সে ক্ষেত্রে প্রায় দু’মাস ম্যাচ প্র্যাকটিসের বাইরে থাকবে বিশ্বকাপের আগে”। ফলত আইপিএল ফ্রেঞ্চাইজিগুলি কাছ থেকে বিরাটের এই পরিকল্পনা কোনও সমর্থনই পাবেনা। যদিও অধিনায়কের চিন্তা থাকাই স্বাভাবিক, যদিও আইপিএলের রুলস এবং এগ্রিমেন্ট তার পরিকল্পনাকে অনুমতি দেবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: