প্রেম করছেন জাহ্নবী ? কিন্তু কার সঙ্গে ? তাঁর নাম নাকি….

শ্রীদেবী কন্যা। ইন্ডাস্ট্রিতে সবে পা দিয়েছেন। আর প্রথম সিনেমাতেই নজর কেড়েছেন সবার। তবে জাহ্নবীকে নিয়ে শুরু নতুন গুঞ্জন। শোনা যাচ্ছে, জাহ্নবী নাকি চুটিয়ে প্রেম করছেন! কিন্তু কার সঙ্গে? বলি মহলের জল্পনা, ‘ধড়ক’-এ সহ অভিনেতা ঈশান খট্টরের সঙ্গে নাকি সম্পর্ক তৈরি হয়েছে জাহ্নবীর। বেশ কিছু দিন ধরেই ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে এই নতুন সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা চলছিল। গত শুক্রবার তাঁদের নাকি এক সঙ্গে সিনেমা হল থেকে বেরতে দেখা যায়। তার পরই এই জল্পনা আরও দৃঢ় হয়।

ঈশান-জাহ্নবীর সম্পর্কের খুনসুটি প্রকাশ্যে এসেছিল। আবার সাংবাদিক সম্মেলনে জাহ্নবীকে ভিড় থেকে গার্ড দিয়ে বাইরে যেতে সাহায্য করেছিলেন ঈশান। নায়কোচিত স্বভাবেই। তখন অনেকেই ভেবেছিলেন, নেহাতই ছবির স্বার্থে এই সম্পর্ক। ছবির প্রচারের জন্য তাঁরা প্রকাশ্যে এ হেন আচরণ করছেন। কিন্তু ছবি মুক্তির পরেও তাঁদের অফস্ক্রিন ঘনিষ্ঠতা নজর কেড়েছে।
প্রসঙ্গত, মারাঠি আইকনিক ছবি ‘সাইরাট’-এর রিমেক করছেন করণ জোহর। তাই সেটা কেমন হবে এটা জানতে ‘ধড়ক’ নিয়ে দর্শকদের মধ্য়ে আগ্রহ এবং উৎসাহ ছিলই।

তবে সেই উৎসাহ, উদ্দীপনা আরও অনেকটাই বেড়ে যায় এই ছবির মাধ্যমেই শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবীর বলিউডে ডেবিউ করার খবরে। তাই শ্যুটিং শুরুর সময় থেকে ‘ধড়ক’ আলোচনাতেই ছিল। অবশেষে আজ, ২০ জুলাই মুক্তি পেয়েছে ধর্মা প্রোডাকশন প্রযোজিত শশাঙ্ক খৈতান পরিচালিত ‘ধড়ক’। কিন্তু কেমন হল ছবিটি? অভিনয় দিয়ে কী নজর কাড়তে পারলেন শাহিদ কাপুরের ভাই ঈশান খট্টর ও শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী? চলুন দেখে নেওয়া যাক… ছবির প্রেক্ষাপট মধুকর ও পার্থবীর অদমনীয় প্রেম।

আর এই প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সমাজ, জাতিভেদ, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও রাজনীতি। এসব অতিক্রম করেই মধুকর ও পার্থবী নিজেরদের ভালোবাসা এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। তবে ‘সাইরাট’এর প্রেক্ষাপট যেখানে ছিল মহারাষ্ট্র, সেখানে ‘ধড়ক’এর প্রেক্ষাপট রাজস্থানের উদয়পুর। ছবিতে পার্থবী (জাহ্নবী) রাজনীতিবিদ রতন সিং-এর (আশুতোষ রানা) মেয়ে। অন্যদিকে মধুকর (ঈশান খট্টর) এক্কেবারেই মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে।

তাঁর বাবা এক রেস্তোরাঁ মালিক। অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য থেকে উদাসীন পার্থবী ও মধুকর একে অপরের প্রেমে পড়ে। আর বিষয়টা জানতে পেরে তাঁদের পরিবা তাঁদেরকে আলাদা করতে উঠে পড়ে লাগে। এসব থেকে বাঁচতে উদয়পুর থেকে মুম্বই হয়ে সোজা কলকাতায় এসে পৌঁছয় তাঁরা। সেখানে তাঁর সচিন ভৌমিক (খরাজ মুখোপাধ্য়ায়) হস্টেলে ঠাঁই নেয়। যেটা মারাঠি ছবি ‘সাইরাট’-এর গল্পে ছিল না। তবে শেষপর্যন্ত কী হবে সেটা না হয় আর বললাম না, ওটা সিনেমাটি দেখেই জানবেন। একদিকে পরিচালক নাগরাজ মঞ্জুলের সাইরাটের গল্প যেভাবে বাস্তবের পটভূমিতে পা রেখে চলেছিল। সেখানে করণ জোহর প্রযোজিত শশঙ্ক খৈতান পরিচালিত ‘ধড়ক’ অনেকটাই ঝাঁ চকচকে করে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে পার্থবী ও ঈশান যখন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে নিজেদের ভালোবাসার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তখনও কীভাবে তাঁদের পোশাক কেতাদুরস্থ হতে পারে তা নিয়ে তো প্রশ্ন থেকেই যায়? পাশাপাশি ছবির গল্পও নিয়েও কিছুটা ফাঁক থেকেই গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: