২০১৯ এ বিজেপি কে রোখার দাওয়াই বাতলে দিলেন পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

এবার মাঠে শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের দামামা বাজতে না বাজতেই শুরু হয়ে গেছে এক দলের অন্য দলের প্রতি কটাক্ষ। তৃণমূলের রাজ্য পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবার সভা থেকেই সিপিএম ও বিজেপি দু দলের উদ্দেশ্যেই তীব্র ভাষা প্রয়োগ করেন। তবে তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিজেপি কারণ পঞ্চায়েত ভোটের পরে রাজ্যে বিরোধী সমীকরণের অনেকটাই বদল হয়ে গেছে। মঙ্গলবার মহিষাদল ব্লক তৃণমূল আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনী ও ব্রিগেডের প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয় কুমুদিনী ডাকুয়া মঞ্চে। সেখানেই বক্তব্য রাখেন পরিবহন মন্ত্রী।

সভাতে তিনি একেবারে সিপিএমকে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাওয়া একটি দল হিসেবে মন্তব্য করেন এবং বিজেপি মানে বিপদ্দজনক একটি দল। তবে শুভেন্দুর মত তৃণমূল জানে বিজেপির মত অশান্তি বানাতে ওস্তাদ একটি দলকে কিভাবে আটকাতে হয়। এবং সময় এলে সেই কৌশলই প্রয়োগ করবে তৃনমূল বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন কুমুদিনী ডাকুয়া মঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন –

“পঞ্চায়েত নির্বাচনেই আপনাদের কৌশল বলে দিয়েছিলাম। সামনে লোকসভা ভোট, সময় আসুক, প্রয়োজন পড়ুক , কিভাবে লাল জামা ছেড়ে গেরুয়া জামা পরা লোকদের ছক্কা মেরে মাঠের বাইরে ফেলতে হয় সেটাও বলে দেব আপনাদের।”

এদিন সিপিএম কে হার্মাদ বাহিনীর সাথে পুনরায় তুলনা করেন শুভেন্দু এবং গত ৩৪ বছরের ইতিহাস টেনে এনে সিপিএমকে উপড়ে ফেলে দেওয়া তৃনমূলী গল্পও শোনান দলীয় সদস্যদের। একই দাওয়াই দেওয়া হবে বিজেপিকেও সেটাও জানান তিনি। সভাতে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের নির্বাচিত তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এদিন সাথে ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস, বিধায়ক সুকুমার দে প্রমুখ।

বিজেপির বিরুদ্ধে বিষোদগার করে মন্ত্রী আরও জানান সব ব্যাপারে বাগড়া দেওয়া বিজেপির কর্মসূচীর মধ্যে পড়ে । ওরা ইমামদের ভাতা দিলে বিরোধিতা করে,আবার দূর্গাপুজোর সময় ক্লাবগুলিকে টাকা দিলে মামলা করে। কাজ বলতে স্রেফ ভোটের আগে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা, মন্দির নিয়ে ধোঁওয়া তোলা। এদিন তৃণমূলের ধর্মীয় সদ্ভাবের রাজনীতিও মঞ্চ থেকে তুলে ধরতে চান পরিবহনমন্ত্রী। এবং ধর্ম নিয়ে কোনও রাজনীতি যে তৃণমূল সুপ্রিমো মানবেন না সেটাও আরও একবার মনে করিয়ে দেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: