সনিকা চৌহান মৃত্যু মামলায় বিক্রম কি দোষী! যা জানাল আদালত

গত বছর ২৯ এপ্রিল ভোর রাতে গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় উঠতি মডেল সনিকা চৌহানের। সনিকা চৌহানকে সঙ্গে নিয়ে রাসবিহারীর রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। আর সেই দুর্ঘটনাতেই প্রাণ গিয়েছে পেশায় মডেল সনিকার। আহত বিক্রম দুর্ঘটনার পরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বেরিয়ে এসে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দেন, তিনি মদ্যপ ছিলেন না। এবং জোরে গাড়িও চালাচ্ছিলেন না। তবে এবার অভিনেতা বিক্রমকে নিয়ে রায় দিল আদালত। বিক্রমের যুক্তি মানতে নারাজ আদালত। বিচারক স্পষ্ট জানিয়েছেন, ওই গতিতে গাড়ি চালালে যে যে কোনও সময় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটতে পারে তার সম্যক জ্ঞান ছিল বিক্রমের। তার পরেও দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো গাড়ি চালিয়েছেন তিনি। যার ফলে মৃত্যু হয়েছে সনিকার।

এই ঘটনায় বিক্রমের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী গাফিলতির অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিস। পুলিসের তরফে বিক্রমের যে রক্তপরীক্ষা করানো হয়েছিল তাতে নমুনায় মাত্রাতিরিক্ত সুরার অস্তিত্ব মেলেনি। তবে ঘটনার সময় ঘণ্টায় ৯৫ থেকে ১০৫ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালাচ্ছিলেন বিক্রিম। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

মডেল সনিকা চোহানের মৃত্যুর মামলা থেকে অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়কে অব্যহতি দিতে অস্বীকার করল আদালত। আদালতের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বিক্রমের বিরুদ্ধে গাফিলতির স্পষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে। ফলে আগামী ৩ ডিসেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হবে। আদালতের এহেন ঘোষণায় কার্যত বিপদ বাড়ল বিক্রমের। সনিকার বন্ধুবান্ধব থেকে শুরু করে বাড়ির লোক, এমনকী আমজনতার একাংশ এই তত্ত্ব মানতে রাজি নয়। বিক্রম নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তবে সনিকার বাবা-মা কাউকে দোষ না দিয়ে সত্য উদ্ঘাটিত হোক, তেমনটা চান। তার জন্য যা করতে হয় তারা করতে রাজি আছেন।


সনিকা মৃত্যুর ৭০ দিনের মাথায় বিক্রমকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারা ৩০৪ দেওয়া হয়েছে বিক্রমের বিরুদ্ধে। ২৯ এপ্রিলের মাঝরাতের ঘটনার পাঁচদিন পরে চাপে পড়ে আলিপুর আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান বিক্রম। অভিযোগ, তারপর থেকেই বিক্রমের খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ কয়েকদিন বিক্রমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে পুলিশের কাছে খবর আসে কসবায় একটি শপিং মলের কাছে মাঝরাতে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন বিক্রম। এরপরই পুলিশ কসবায় গিয়ে বিক্রমকে গ্রেফতার করে।

বিচারক স্পষ্ট জানিয়েছেন, ওই গতিতে গাড়ি চালালে যে যে কোনও সময় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটতে পারে তার সম্যক জ্ঞান ছিল বিক্রমের। তার পরেও দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো গাড়ি চালিয়েছেন তিনি। যার ফলে মৃত্যু হয়েছে সনিকার। এই ঘটনায় বিক্রমের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী গাফিলতির অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিস। সনিকা চৌহানকে সঙ্গে নিয়ে রাসবিহারীর রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। আর সেই দুর্ঘটনাতেই প্রাণ গিয়েছে পেশায় মডেল সনিকার। আহত বিক্রম দুর্ঘটনার পরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বেরিয়ে এসে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দেন, তিনি মদ্যপ ছিলেন না। এবং জোরে গাড়িও চালাচ্ছিলেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: