বাম না তৃণমূল- লোকসভা নির্বাচনে কার সাথে জোট বাধবে প্রদেশ কংংগ্রেসে

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাম কংগ্রেস জোট ভরাডুবি হলেও আসন্ন ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে জোটের কথা কিন্তু উড়িয়ে দিচ্ছেনা কোন পক্ষই। তবে এমন জোট গঠনে বাধ সেধেছে কংগ্রেসেরই দুই বরিষ্ঠ নেতা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের দুই কংগ্রেস সাংসদ মালদার মৌসম নূর এবং আবু হাসেম খান চৌধুরী আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সিপিএমের বদলে তৃনমূলকেই তাদের জোট সঙ্গী হিসেবে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সাংসদ মৌসম নূরের কথায় যে কটা আসন এখনো কংগ্রেসের রয়েছে তার অস্তিত্বই থাকবেনা যদি সিপিএমের সাথে পুনরায় জোট করে দল। তবে তিনি শেষমেশ দিল্লী হাই কমান্ডের নির্দেশই যে মানবেন তাও বলেছেন মৌসম।

অন্যদিকে বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জয় বন্দোপাধ্যায় মালদার দুই কংগ্রেস সাংসদের শাসক তৃণমূলের সাথে জোটবন্ধনকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন দুই সাংসদ মালদায় গণি খানকে চেটেপুটে খেয়ে শেষ করে এখন দল থেকে আর পাওয়ার কিছু নেই জেনে তৃণমূলের সাথে যেতে চাইছেন। তবে জয় এদিন ব্যক্তি ও প্রশাসক গণি খানের প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে কংগ্রেস দলের মধ্যেও এ নিয়ে চরম বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সোমেন মিত্র আবার মৌসম নূর ও আবু হাসেম খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য সুর শুনিয়েছেন এবং তিনি সিপিএমের সাথে কংগ্রেসের জোটের সপক্ষে সওয়াল করেছেন। সিপিএম না তৃণমূল কার সাথে হতে পারে প্রদেশ কংগ্রেসের জোট, যখন এ নিয়ে তোলপাড় খোদ কংগ্রেসের নিজস্ব অন্দর তখনই বিজেপি নেতা জয় বন্দোপাধ্যায় আবার মালদা মুর্শিদাবাদে বিজেপির জয় দেখছেন। জয় বন্দোপাধ্যায়ের কথায় -” মানুষ খুব ভাল মতন বুঝে গেছে সিপিএম তৃণমূলের একই ধান্দার রাজনীতি। আর যে মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে এতদিন মালদা মুর্শিদাবাদের মসনদে বসে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী, সে সংখ্যালঘু মুসলিমরাও এবার বিজেপিতে ভিড়বে। গণি খান ছিলেন ভাল লোক কিন্তু তাকে ভাঙিয়ে খাওয়া সাংসদদের রাজনীতি বুঝতে সাধারন মানুষের দেরি হওয়ার কথা নয়। “

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: