বাংলায় এবার এতো নতুন মদের দোকানের লাইসেন্স দেবে রাজ্য সরকার, কীভাবে লাইসেন্স পাওযা যায় জেনে নিন

রাজ্যের মদ ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর শোনালো রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ ১৩ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে প্রায় এক হাজারেরও বেশি মদের দোকানে লাইসেন্স দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। কার্যত এই খবরে মদ ব্যবসায়ীদের মধ্যে খুশির হাওয়া। এমনটাই জানানো হয়েছে আবগারি দপ্তর সুত্রে। আবগারি দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চলতি বছরে পুজোর পর এই লাইসেন্স দেওয়ার কাজ শুরু হবে। পুজোর পর প্রায় ১১০০ অফ শপের লাইসেন্স দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে পুজোর পর রাজ্যের রাজস্বে লক্ষ্মীলাভ হতে চলেছে।

রাজ্য সরকার সুত্রে জানা গিয়েছে যে, রাজ্যে ১১০০ টি লাইসেন্স শুধুমাত্র অফ শপগুলিই পাবেন। এই লাইসেন্স অন শপগুলির জন্য বরাদ্দ নয়।প্রসঙ্গত, এই লাইসেন্স লটারির মাধ্যমে দেওয়া হবে। আফগারি সুত্রে খবর, এরফলে রাজ্যসরকারের ঘরে অতিরিক্ত রাজস্ব আসতে চলেছে। আর এর পরিমাণ হতে পারে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। তবে লাইসেন্স পেতে হলে আবগারি দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে।প্রসঙ্গত, আদিবাসীদের সাধের পানীয় এবার নির্দ্বিধায় আপনার গলায় প্রবেশ করবে। হ্যাঁ, মহুয়ার কথাই হচ্ছে। আদিবাসীদের প্রিয় পানীয় মহুয়া এবার দেশজুড়ে বিকোবে। এমন উদ্যোগই নিচ্ছে আদিবাসী কল্যাণ মন্ত্রক। দেশজুড়ে খোলা বাজারে বিক্রি করা হবে মহুয়া।

হাল্কা অ্যালকোহলিক পানীয় হিসেবে বোতলে বন্দি হয়ে দেশের বাজারে বিকোবে মহুয়া, একথা জানিয়েছেন ট্রাইবাল কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ডেভেলপমেন্ট ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রবীর কৃষ্ণ। শুধু তাই নয়, নানা স্বাদে মিলবে মহুয়া। আদা, ডালিমের মতো বিভিন্ন স্বাদে পাওয়া যাবে এই পানীয়।মহুয়াকে বোতলবন্দি করে দেশের বাজারে বিক্রির জন্য আইআইটি দিল্লির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ফেডারেশন। বস্তার এলাকা থেকেই মূলত মহুয়া সংগ্রহ করে তা দেশজুড়ে বিক্রি করা হবে।

‘মহুয়া’ ব্র্যান্ড নামেই এই পানীয় পাওয়া যাবে দোকানে। ইতিমধ্যেই মহুয়ার মার্কেটিংয়ের ভাবনাচিন্তা চলছে। আদিবাসী কল্যাণ মন্ত্রকের ‘বন ধন বিকাশ কার্যক্রম’ প্রকল্পের আওতায় মহুয়ার মার্কেটিং করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে শুধু মহুয়াই নয়, তেঁতুল, আমলকী, ইত্যাদি ফলকেও ক্যান্ডি, জ্যাম হিসেবে বাজারে আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: