জানেন কি বিয়ারের বোতল কেন বাদামি বা সবুজ রঙের হয়?

বিয়ার পৃথিবীর সবথেকে বেশি খেয়ে থাকা একটি জনপ্রিয় ড্রিঙ্ক। এবং সম্ভবত এটি প্রাচীনতম পানীয়। পানি ও চায়ের পর বিয়ারের স্থান মানে তৃতীয় অবস্থানে এর স্থান।মদ ব্যবসায়ীদের একটি সংগঠনের তথ্যমতে, মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মদের দোকানের ব্যবসার ৭০ শতাংশ বিয়ারের উপরে নির্ভরশীল। অনেকের মতে, গরমে গলা ভেজাতে ঠান্ডা বিয়ারের জুড়ি মেলা ভার।

বিয়ার একটি মদ্যপ পণ্য যার বিশাল ফ্যান ফলোয়িং আছে। যারা বিয়ার পান করতে ভালোবাসেন তারা বিয়ার খাওয়ার জন্য অজুহাত খুঁজতে থাকেন।

একজন বিয়ার প্রেমিকের অ্যাপার্টমেন্টের চারপাশে সবসময় সবুজ এবং খয়েরি রঙের বোতল দেখতে পারবেন।

কিন্তু জানেন কি বিয়ারের বোতল কেন বাদামি বা সবুজ রঙের হয়? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

আগে স্বচ্ছ কাচের বোতলেই রাখা হত বিয়ার। কিন্তু দেখা যায়, দিনের বেলায় সূর্যের আলোয় এবং অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে বিয়ারে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে দুর্গন্ধ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই সূর্যের আলোর বিকীরণ এবং অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাব থেকে বিয়ারকে বাঁচাতে বিকল্প ব্যবস্থার ভাবনা মাথায় আসে।

বিয়ারকে সূর্যের আলোর বিকীরণ এবং অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাব থেকে বাঁচাতে স্বচ্ছ কাচের বোতলের উপর বাদামি রঙের প্রলেপ ব্যবহার শুরু হয়। এই বাদামি রং অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাব থেকে বিয়ারকে রক্ষা করে।প্রশ্ন হল, বাদামি রঙের বিয়ারের বোতলে যদি সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েই থাকে তাহলে সবুজ রঙের বোতলের দরকার পড়ল কেন?১৯৪০ থেকে ’৪৫ এর মধ্যে সবুজ রঙের বোতলে বিয়ার বিক্রি শুরু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন বাদামি রঙের বিয়ারের বোতলের জোগানে ব্যাপক টান পড়ে। ফলে বাদামি রঙের বোতলের পরিবর্তে সবুজ রঙের বোতলে বিয়ার বিক্রি শুরু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: