পৃথিবীর দশ ভয়ানক হিংস্র মাছ যারা মানুষকেও ছাড়েনা

হলিউডের “সার্ক লেক” সিনেমার কল্যানে হাঙ্গর মাছ অনেক আগেই ভয়ংকর মাছের তালিকায় নাম লিখিয়েছে। কিন্তু এই একটি মাত্র মাছ বাদেও আরো অনেক মাছ আছে যা নিত্যান্ত ভয়ংকর। অনেকে বলবেন পিরানা মাছ, না একদম না!! পিরানা অনেকটা লাজুক প্রকৃতির মাছ। এর থেকেও আরও ভয়ংকর মাছ আছে। এমন কি সেরা দশ ভংকর মাছের মধ্যে পিরানা শীর্ষে নেই !! কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ারই কথা। কিন্তু এটাই সত্যি।

দেখে নিন পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দশ মাছকে- 

১০.ইলেকট্রিক ইল:

ইলেকট্রিক পৃথিবীর সমস্ত ভয়ঙ্কর মাছদের মধ্যে একটি। এটি ৬০০ ভোল্ট অবধি ইলেকট্রিক শক মারতে পারে! সেভাবেই শিকার ধরে বা মারে এই বৈদ্যুতিক পাঁকাল৷ গবেষণায় দেখা গেছে, বাদুড়রা যেমন শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করে পোকামাকড়ের অবস্থান জানতে পারে, তেমন ইলেকট্রিক ইল’ও কারেন্ট মারার সময় সেই পন্থায় শিকারের অবস্থিতিও জানতে পারে৷

৯.টাইগার ফিশ:

হিংস্র ও ভয়ঙ্কর এই মাছ কুমিরকেও পর্যন্ত খেয়ে ফেলতে পারে। সুযোগ পেলে মানুষকেও ছাড় দেয় না। ছয় ফুট লম্বা এ মাছের মুখের গঠন, দাঁতের বিন্যাস ও হিংস্রতায় বাঘের মতো। প্রচণ্ড শক্তিশালী ও গতিশীল। সমুদ্রে চলার সময় সামনে কোনো মাছ পড়লে শক্ত ৩২টি ধারালো দাঁত দিয়ে ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। মাছটির মুখগহ্বর শরীরের চেয়ে বড় হওয়ার কারণে শিকার ধরতে তার কোনো বেগ পেতে হয় না।জলতে কিছু নড়াচড়া দেখলেই দ্রুতগতিতে গিয়ে ধারালো দাঁত বসিয়ে দেয়। এই মাছ যেখানে থাকে সেখানে কুমিরও ভয়ে যায় না।

৮.গুনচ ফিশ:

এই মাছের সন্ধান মেলে ইন্ডিয়া আর নেপালের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া “কালি নদীতে”। অনেক দিন যাবত হঠাৎ নিখোঁজ হওয়া বা হঠাৎ তলিয়ে যাবার ঘটনা ঘটছে এই নদীতে। কিন্তু এর কারন কারোরই জানা ছিল না যত দিন পর্যন্ত না এই মাছের সন্ধান মেলে নদীতে। এই মাছের খাদ্য তালিকায় মানুষের অবস্থান সবার উপরে। খয়েরি রঙয়ের ৭ ফুট লম্বা এবং ৩০০ পাউন্দ ওজনের এই মাছের আছে ব্লেডের মত ধারালো দাঁত। যা খুবই ভংকর। সর্বশেষ মানুষ শিকারের ঘটনায়, ১৭ বছরের একটি ছেলেকে তার প্রেমিকার সামনে এই মাছ টেনে নিয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: