পৃথিবীর দ্রুততম ১০টি গাড়ি, সর্বোচ্চ গতি, স্টাইল দেখলেই চোখ ধাঁধিয়ে যাবে!

গতি…আরও গতি…আরও আরও গতি! আধুনিকতার মূলমন্ত্র এটাই। যে যত এগিয়ে সে তত সফল। তাই তার চড়ার আর সাধের গাড়িও তেমনই হয়। সুপারফাস্ট। গাড়ি…ভালো চাকরির পর এই জিনিসটার শখ সবারই থাকে। তবে, সুপারকার চালানোর শখ কি সবসময় পূরণ হয়? নাহ…আমাদের ভারতের রাস্তায় চলবে না ঠিকই, কিন্তু শখ রাখতে দোষ কি! দোষ নেই খবরাখবর রাখলেও। অটোমোবাইলের দুনিয়ায় একে সে বড়কর এক গাড়ি আছে। ঝাঁ চকচকে আর দুর্দান্ত স্টাইলিশ লুকিং। তবে, গতির যুগ যখন, তখন সে বিচারেই গাড়িকে সুপার কারের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। আজ এই প্রতিবেদনে দশটি এমন বিদেশি গাড়ির কথা বলব, যারা রাস্তায় নামলে গতির ঝড়ে ওঠে বা উঠবে। পৃথিবীর সবচেয়ে গতিময় গাড়ি এই দশটি।

আরও একটা তথ্য জানিয়ে রাখি। সুপার কার নিয়ে তো আর সাধারণ রাস্তায় গতির ঝড় তোলা যায় না। আর দুরন্ত গাড়ির গতিবেগ যেখানে মাপঝোক করা হয়, সেটা হলো স্পিডভেগাস। একশো একর জমির ওপর তৈরি এই মোটর কমপ্লেক্সটি নেভাডার লাস ভেগাসে অবস্থিত। কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থিত ট্র্যাক্টটি যে কোনও ফর্মুলা ওয়ান রেস ট্র্যাককে টক্কর দিতে পারে। মোট রাস্তাটি দেড় মাইল। কিলোমিটারে ধরলে ২.৪ কিলো মিটার দীর্ঘ। একমাত্র এই জায়গাতেই এসে যে কেউই সুপারকারের আনন্দ নিতে পারেন। হ্যাঁ…অবশ্যই পকেটে তেমন জোর থাকা জরুরি। ভেতরে আবার কুড়ি হাজার স্কোয়ার ফুটের দু’তলা একটি বিল্ডিংও রয়েছে। এখানে এসে যেমন পর্শ, ফেরারি, লামবোর্গনি, অডি, ম্যাকলারেনের মতো গাড়ি দেখতে পাবেন, তেমনই ক্যাফেটেরিয়া নিজেকে তরতাজা করে নিতে পারবেন। লাস ভেগাসে প্রবেশ করার সময় যে সাইন বোর্ড দেখতে পান ওলেকাম টু লাস ভেগাস। তার ঠিক পাশেই অবস্থিত এই স্পিড ভেগাস স্পোর্টিং কমপ্লেক্স।

পৃথিবীর সেরা দশটি গাড়ি (গতির বিচারে) –

১০. ম্যাকলারেন এফ১ – ৩৮৭ কিমি

একসময় এই গাড়িটি পৃথিবীর দ্রুততম কার ছিল। তবে, গাড়ির নকশা এখনও নজরকাড়া। কার্বন ফাইবার মোড়কে ঢাকা গাড়িটিতে গোল্ড-লাইনড ইঞ্জিন বে আর ৬.১ লিটারের বিএমডব্লু এম ভি ১২ রয়েছে। আর ড্রাইভারের সিট ঠিক মাঝে। ফেরারি, পর্শের মতো সংস্থা আসার আগে ফর্মুলা ওয়ান ট্র্যাকে ম্যাকলারেনের এই গাড়ি রাজত্ব করেছে।

৯. কোয়েনিগসেগ সিসিআর – ৩৮৯

গত দশকে সুইস গাড়ি প্রস্তুত কারক সংস্থা কোয়েনিগসেগ সবচেয়ে দ্রুততম গাড়ি তৈরির করার খেতাব অর্জন করে। ২০০৫ সালে তাদের তৈরি সিসিআর মডেল ৩৮৯ কিমি গতিবেগ তুলে দেখায় ইতালিতে। তবে, মডেলটি বেশিদিন রাখেনি সংস্থা। তার জায়গায় সিসিএক্স নামে আরও একটি মডেল আনে। সেটাকেও তুলে নিয়ে আরও একটি আগেরা মডেল আনা হয়েছে। সংস্থার দাবি এই মডেলের গাড়ি সর্বোচ্চ ৪৩৪ কিমি গতিবেগ তুলতে পারে প্রতি ঘণ্টায়। যদিও এখনও পর্যন্ত স্পিড টেস্ট নেওয়া হয়নি।

৮. সালিন এস৭ টোয়াইন টার্বো – ৩৯৯ কিমি

যাঁরা গাড়ির পারফর্ম্যান্স নিয়ে খুঁতখুঁতে, তাঁরা আবার এই গাড়িটি খুব পছন্দ করতেন। সুপারকারের দুনিয়ায় এ৭’কে অনায়াসে কিংবদন্তি বলা যায়। যেমন সুদৃশ্য, তেমনই দুরন্ত গতির। ২.৮ সেকন্ডের মধ্যে শূন্য থেকে ৯৬ কিমি গতিবেগ তুলতে পারে। ২০০০ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত গাড়িটি বাজারে ছিল। এখন আর নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: