রাজ্যের যে পাঁচটা জায়গা সব সময় মমতার পাশে থেকেছে , তালিকায় আপনার এলাকা আছে?

বিজেপি যে এই রাজ্যেই বিরোধী দলের অন্যতম দাবিদার তা বিগত ভোটগুলি প্রমাণ দিয়েছে। ক্রমশই বাড়ছে সমর্থন এবং ভোট। ভোট কমেছে শাসক দলেরও। উদাহরণ হিসাবে রাজ্য রাজনীতির সাম্প্রতিক ধারা মেনেই সবংয়ে বিপুল ভোট বেড়েছে বিজেপির। ২০১৬ সালে পাঁচ হাজার ভোট থেকে তারা দেড়বছরে ৩৭ হাজার ভোট পেয়ে গিয়েছে। প্রায় ৩২ হাজার ভোট বেড়েছে গেরুয়া শিবিরের।অন্যদিকে কংগ্রেস ১৮ হাজার ভোট পেয়ে চতুর্থস্থানে। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় কমে গিয়েছে বামেদের ভোটও। তবে তাদের সান্ত্বনা পুরস্কার দ্বিতীয়স্থান অর্জন।

প্রশ্ন উঠছে, কার ভোট কেটে বিজেপির এই বৃদ্ধি?রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূলের থেকে ভোট আসেনি বিজেপির ঝুলিতে। বরং সিপিএম ও কংগ্রেসের ভোটই ভেঙেছে। কী যুক্তি তাঁদের?সবংয়ে ২০০৬, ২০১১ ও ২০১৭ সালের উপনির্বাচনে একা লড়ে সিপিএমের ভোটপ্রাপ্তির গড় ৬২,৯১৮টি। ২০১৬ সালে জোটের ভোট থেকে সেই সংখ্যক ভোট বাদ দিলে পড়ে থাকে ৬৫,০৬৯। অর্থাত্ কংগ্রেসের ভোটও ষাটের ঘরেই।২০০৬ সালে একা লড়ে কংগ্রেসের টিকিটে মানস ভুঁইঞা পেয়েছিলেন ৬৮,৪৭৯টি ভোট। এখানে হিসাব মিলে যাচ্ছে।

আবার ২০১১ সালে তৃণমূল-কংগ্রেস জোট পেয়েছিল ৯৮,৩৫৯টি ভোট। মনে রাখতে হবে, তখনও রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল সিপিএম। কংগ্রেসের অবস্থাও এতটা দুর্বল ছিল না। উপনির্বাচনে কংগ্রেসের ভোট ঠেকেছে ১৮,০৬৩তে। অন্যদিকে ২০১৬ সালের চেয়ে বিজেপির ভোট বেড়েছে ৩২,৩২৩টি। এই ভোটবৃদ্ধির পিছনে কংগ্রেস ও সিপিএমের ‘অবদান’ বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। তবে যে জায়গা কোনও দিন তৃণমূলকে নিরাশ করেনি সেই জায়গাগুলি একবার দেখে নেওয়া যাক-

৫) হাওড়া

উদাহরণ হিসাবে বলা যায়- সুলতান আহমেদের নামে অভিযোগ উঠলেও, তাঁর মৃত্যুর পর মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে ভালবেসেছে। উলুবেড়িয়ায় রেকর্ড জয় হয়েছিল শাসকদলের। জয়ের ব্যবধান প্রায় ৪,৭৪,৫৪১ ভোট। সাংসদ সুলতান আহমেদের মৃত্যুর পর সাত বিধানসভা কেন্দ্রের উলুবেড়িয়া উপনির্বাচনে প্রার্থী করা হয় তাঁর স্ত্রী সাজদা আহমেদকে। একসময়ের বাম দুর্গ উলুবেড়িয়ায় ২০১৪-য়ে সুলতান আহমেদের হাত ধরেই ঘাসফুল ফোটে। ৯৮ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হন তিনি। ৪৮ শতাংশের বেশি ভোট ছিল তাঁর দখলে। এবার ছাপিয়ে গেছে সব রেকর্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: